খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফেরাতে আধুনিকায়নের উদ্যোগ

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফেরাতে আধুনিকায়নের উদ্যোগ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নতুন পশুপাখি সংযোজন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃশাহজামান খান। এ সময় তাঁরা চিড়িয়াখানার বিভিন্ন শেড,খাঁচা,লেক ও দর্শনার্থীদের চলাচলের পথ ঘুরে দেখেন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দর্শনার্থীবান্ধব আধুনিকায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

পরিদর্শন শেষে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরবাসী রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

তিনি বলেন,নগরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহোদয়ের কাছে উপস্থাপন করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করেছেন। আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছেন। আশা করছি, এর মাধ্যমে চিড়িয়াখানাকে নতুন রূপে সাজানোর কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃশাহজামান খান বলেন,রাসিক প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চিড়িয়াখানাটির উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর আহ্বানে আমরা একটি বিশেষজ্ঞ টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি। আমাদের টিম দ্রুত ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে। স্টাডির ভিত্তিতে বিশ্বের আধুনিক চিড়িয়াখানার আদলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে আরও আকর্ষণীয়,আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা)ডঃমোঃ বজলুর রহমান,প্রকল্প পরিচালক ডঃমোঃ সফিকুর রহমান,রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ডঃআনন্দ কুমার অধিকারী, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।