খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডিজিটাল সার্ভে শেষ হলে ভূমি নিয়ে জালিয়াতি বন্ধ হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল সার্ভে শেষ হলে ভূমি নিয়ে জালিয়াতি বন্ধ হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: ভূমি নিয়ে ব্যাপক জালিয়াতি চিরতরে বন্ধে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক  প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সার্ভে সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দেশে একটি নির্ভুল ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে এবং প্রায় ৮০ শতাংশ সিভিল ও ফৌজদারী মামলা নিরসন হবে।

২৯ আগস্ট শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে সেবা প্রার্থীদের জন্য নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগার ‘সেবা কুঞ্জ’-এর শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এসব কথা বলেন।

ভূমি সেবাকে শতভাগ জনবান্ধব ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে  প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরও বলেন, ভূমি কর্মকর্তাদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামক বিশেষ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস প্রাঙ্গণে থাকলে ভূমি দৃষ্টি এই অ্যাপে ‘সবুজ সংকেত’ এবং বাইরে গেলে ‘লাল সংকেত’ প্রদর্শিত হবে। এর মাধ্যমে সেবা প্রদানকারীর সেবা প্রদান কাজের স্বচ্ছতা নির্ধারণ করা  সহজ হবে এবং সেবা মান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সেবা প্রার্থীরা যেন কোনো অস্বস্তি ছাড়াই সরকারি সেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে ‘সেবা কুঞ্জ’ তৈরি করা হয়েছে। আমরা চাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতীতের দুর্নাম ঘুচিয়ে দেশের ভূমি মালিকদের ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সাথে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে। ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে আর কোনো রেকর্ড ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না জানান ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

মীর হেলাল জানান, চট্টগ্রামের দক্ষিণ পাহাড়তলীতে বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (বিডিএস)-এর পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে একযোগে এই আধুনিক জরিপ কাজ শুরু হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, নতুন এই ডিজিটাল সার্ভে ব্যবস্থা চালু হলে ভূমিসংক্রান্ত জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে এবং সাধারণ জনগণ সরাসরি উপকৃত হবেন।

 

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী হাটহাজারীতে  জনকল্যাণমূলক  ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করেন।হাটহাজারীর কর্মসূচি অনুযায়ী  মির্জাপুরে ‘ফার্মার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ উদ্বোধন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমানের চারা বিতরণ করেন।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল দিনের এক কর্মসূচিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পার্বতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানগুলোতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কৃষি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সেবা প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।