খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাজীপুর সাফারি পার্কে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

মো: আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
গাজীপুর সাফারি পার্কে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুরে গাজীপুর সাফারি পার্কে বেড়াতে গিয়ে এক নারী ও তাঁর দুই কিশোর ছেলে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কোর সাফারির মিনিবাসের আসন অপরিষ্কার থাকাকে কেন্দ্র করে পার্কের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর পার্ক থেকে বের হওয়ার সময় তাঁদের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

 

এ ঘটনায় আহত তিনজন হলেন সালমা মোস্তারী (৪৪) এবং তাঁর দুই ছেলে জারিফ (১৫) ও মাহিম (১৭)। একই সঙ্গে তাঁদের মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পার্কের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে। তবে পার্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, ঘটনার সময় তাদের কয়েকজন কর্মচারীও আহত হয়েছেন।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সালমা মোস্তারী। অভিযোগে চন্দন কুমার, মাসুদ রানা ও ধনজয় ধনার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর সাফারি পার্কে যান সালমা মোস্তারী। কোর সাফারি ঘুরতে নির্ধারিত টিকিট নিয়ে মিনিবাসে ওঠেন তাঁরা। গাড়িতে ওঠার পর সালমা দেখতে পান, কয়েকটি আসনে ময়লা, কাগজ ও পলিথিন পড়ে রয়েছে। বিষয়টি তিনি মিনিবাসের দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারীকে জানান।

 

এ নিয়ে ওই কর্মচারীর সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয় বলে অভিযোগ করেন সালমা। পরে তাঁর দুই ছেলে মায়ের পক্ষে কথা বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই সময় মিনিবাসে থাকা অন্য কয়েকজন দর্শনার্থীও আসন অপরিষ্কার থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন বলে তিনি জানান।

 

সালমার অভিযোগ, কোর সাফারি শেষে মিনিবাস থেকে নামার সময় কয়েকজন কর্মচারী তাঁদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাঁর দুই ছেলেকে টেনেহিঁচড়ে পার্কের একটি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তাঁকেও গালাগাল করা হয়েছে বলে জানান সালমা।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় তাঁদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন সালমা। পরে মা ও দুই ছেলেকে কয়েক ঘণ্টা অফিসকক্ষে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।