খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন

বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের উদ্যোগ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ৫ম ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ পুরুষ সিনিয়র বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই প্রতিযোগিতার মহিলা সিনিয়র বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চ্যাম্পিয়ন এবং বিজিবি রানার্স আপ হয়েছে।

রাজধানীর পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জিমনেসিয়ামে গত ২৮ থেকে ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আজ রবিবার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও বিজিত খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সভাপতি ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী সভাপতিত্ব করেন।

তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং দেশের ১৯টি জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ ২২টি দলের প্রায় ৪৫০ জন পুরুষ ও মহিলা তায়কোয়ানডো খেলোয়াড় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতার পুরুষ সিনিয়র বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ উভয় দলই ৪টি স্বর্ণ ও ৪টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক অর্জন করে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এ বিভাগে ৪টি তাম্র পদক নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা রানার্স আপ হয়।

অন্যদিকে, মহিলা সিনিয়র বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪টি স্বর্ণ ও ২টি রৌপ্যসহ মোট ৬টি পদক অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ২টি স্বর্ণ ও ১টি তাম্রসহ মোট ৩টি পদক অর্জন করে এ বিভাগে রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহমুদুল ইসলাম রানা, ফেডারেশনের সদস্য ও টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক জনাব শায়রুল কবির খানসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

উল্লেখ্য, খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর সদস্যদের নিয়মিত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হয়ে থাকে। তায়কোয়ানডোসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিজিবি সদস্যদের ধারাবাহিক সাফল্য এ বাহিনীর ক্রীড়া কার্যক্রমের সক্ষমতা ও উৎকর্ষেরই প্রতিফলন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।