খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে : সিএমপি কমিশনার

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
ধর্মের ভিত্তিতে নয়, জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে : সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। পৃথিবীর সব ধর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে মানুষের অধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সকল ধর্মের মানুষ, বর্ণের মানুষকে নিয়ে সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হবে। তিনি বলেন, সব সম্প্রদায়ের মানুষ সম্মিলিতভাবে সম্পৃক্ত থেকে আগামীর অগ্রযাত্রাকে শক্তি এবং সাহসে পরিণত করতে হবে। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সবার অংশগ্রহণে প্রগতিশীল, কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়তে মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে। দেশের নাগরিক হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। কোন বিভাজন কিংবা বৈষম্যের শিকার যাতে কেউ না হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক রয়েছে। তিনি নির্ভয়ে সকল ধর্মের মানুষকে তাদের অনুষ্ঠান, উৎসব পালন এবং সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।

তিনি শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ-কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নগরীর আন্দরকিল্লা মোড়ে মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বাঁশখালী ঋষিধাম ও তুলসীধামের মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ পুরী মহারাজ। তিনি বলেন, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানুষের জন্য দিয়ে গেছেন মানবপ্রেমের অবিনশ্বর বাণী। নিয়মিত ধর্মচর্চা করলে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ করা সম্ভব। সকল ধর্মেই সাম্য ও মানবতার কথা বলে। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা আমাদের দায়িত্ব।

 

 

 

মহাশোভাযাত্রা উপ-কমিটির আহ্বায়ক বাবুল ঘোষ বাবুনের সভাপতিত্বে শুরুতে গীতাপাঠ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি চন্দন দাশ। মহাশোভাযাত্রা উপ-কমিটির সদস্য সচিব শিমুল মুহুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক লায়ন আর.কে দাশ রুপু, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টী রাজীব ধর তমাল, জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, প্রবর্তক ইসকন শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ দারুব্রহ্ম জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, নন্দনকানন রাধা মাধব মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তারণনিত্যানন্দ দাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি লায়ন তপন কান্তি দাশ, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, শিবু প্রসাদ দত্ত, বিদ্যালাল শীল, হরিপদ দাশ, লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, চট্টগ্রাম মহানগর জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নিখিল কুমার নাথ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. রাজীব বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রতন আচার্য্য, উপ-অর্থ সম্পাদক সুমন ঘোষ বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর দাশ সিধু, সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন মহাজন, প্রচার সম্পাদক এস প্রকাশ পাল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কানুরাম দে, রানা মহাজন, বাবলু দেবনাথ, অরুপ দাশ রুবেল, সুকান্ত মজুমদার ও রাজু দাশ। শোভাযাত্রাটি আন্দরকিল্লা থেকে শুরু লালদীঘি পাড়, কোতোয়ালী মোড়, নিউমার্কেট, নন্দনকানন, ডিসি হিল, চেরাগী পাহাড় মোড় হয়ে জেএম সেন হলে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে মিলিত হয় মিলনমেলায়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।