খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং চালু

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং চালু

SICIP-এর আওতায় আইসিটি ও জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ পাবেন ১২০০ গ্র্যাজুয়েট, জাপানসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাকরির সুযোগ

দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের আইসিটি দক্ষতা ও জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।

এ লক্ষ্যে আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড রুমে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (SICIP) এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) এর অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত SICIP-এর আওতায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে SICIP-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব জনাব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক জনাব মাইনুল হাসান,উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ডঃমোঃমতিউর রহমান এবং উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক জনাব মৌরীন করিম।

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ডঃমোঃখাদেমুল ইসলাম মোল্যা, নির্বাহী পরিচালক মো. শামিম আহসান পারভেজ,পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামের ভিজিটিং প্রফেসর ডঃমোঃমুনসুর আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানগণ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লেঃকর্নেল মোঃখালেদ বিন ইউসুফ (অবঃ)।

এই কর্মসূচির আওতায় যে বিষয়গুলোতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ক্লাউড কম্পিউটিং,ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং (AI & ML) নেটওয়ার্ক প্রশাসন, জাপানি ভাষা (জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগকে সামনে রেখে)
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ অর্জনের সুযোগ পাবেন।

আগামী ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের জুলাই পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। এতে মোট ১২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রাজশাহী কেন্দ্র থেকে ৪৫০ জন এবং ঢাকা কেন্দ্র থেকে ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ নেবেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোঃখাদেমুল ইসলাম মোল্যা বলেন,রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের আইসিটি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের গ্র্যাজুয়েটদের নিজ এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পখাতের একটি দূরত্ব রয়েছে। এই দূরত্ব কমিয়ে শিক্ষার্থীদের শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করতে হবে। SICIP-এর অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে দক্ষ ও কর্মোপযোগী জনশক্তি তৈরি করা। বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের গ্র্যাজুয়েটরা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণার্থীদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রবেশে সহায়তার পাশাপাশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা জাপানসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।