খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

‎গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নবগঠিত গভর্নিং বডির অভিষেক অনুষ্ঠান

‎জাকির হোসেন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
‎গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নবগঠিত গভর্নিং বডির অভিষেক অনুষ্ঠান

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নবগঠিত গভর্নিং বডির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ হরিপদ দাসের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক প্রতিনিধি শাহমুব জুয়েলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান।
‎
‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া, কলেজের নবনির্বাচিত সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান।
‎
‎এছাড়াও অনুষ্ঠানে নবগঠিত গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য, অভিভাবক প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও আধুনিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি নবগঠিত গভর্নিং বডির সদস্যদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
‎
‎অনুষ্ঠানে বক্তারা গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নবগঠিত গভর্নিং বডির সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
‎বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ হরিপদ দাসের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক প্রতিনিধি শাহমুব জুয়েলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান।
‎
‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া, কলেজের নবনির্বাচিত সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান।
‎
‎এছাড়াও অনুষ্ঠানে নবগঠিত গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য, অভিভাবক প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও আধুনিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি নবগঠিত গভর্নিং বডির সদস্যদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
‎
‎অনুষ্ঠানে বক্তারা গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নবগঠিত গভর্নিং বডির সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রায়হান উদ্দিন সরকার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকাভুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে গৌরীপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাচীন ভবন—বর্তমানে গৌরীপুর মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে—সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরি ও এসিক এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক ধান মহালস্থ ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির মিলনায়তনে প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ওপর ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রবিবারের সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর বীরাঙ্গনা সখিনা সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, গৌরীপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও উপজেলা শাখার ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মীর হোসেন মিরন, গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হুদা লিটন, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাবেক সভাপতি মহসিন মাহমুদ শাহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিল, সাংবাদিক মো. দিলীপ কুমার দাস এবং এসিক ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ শাহ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহের উত্তরের জনপদ গৌরীপুর রাজা-জমিদারদের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের বহু প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রয়েছে ১২টি জমিদারবাড়ির ইতিহাস ও স্থাপত্যনিদর্শন, প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহাসিক দীঘি, মন্দির, মধ্যযুগীয় মাজার, দুটি কেল্লা বা ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ এবং ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সমাধি।

 

এ ছাড়া পূর্ব বাংলার গীতিকায় সমৃদ্ধ বীরাঙ্গনা সখিনার ইতিহাস ও সমাধি এবং মুঘল আমলের খাজা উসমান খাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কেল্লার নিদর্শনও গৌরীপুরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা বলেন, এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্ননিদর্শন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে গৌরীপুরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনগুলো জরিপ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, সংরক্ষণ ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

 

স্মারকলিপি প্রদান

সমাবেশ শেষে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পার মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে গৌরীপুরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে তালিকাভুক্তি, সংরক্ষণ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গৌরীপুরের হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।