খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাই: দামকুড়া থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাই: দামকুড়া থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীর দামকুড়া থানার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শালিস বৈঠক চলাকালে জিয়াউল কবির (৪৮) নামের এক স্থানীয় সাংবাদিককে মারধর, শ্বাসরোধে হত্যা চেষ্টা ও তার নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
​ভুক্তভোগী সাংবাদিক বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় ৫ জনকে এজাহার নামীয় আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন গত ১৩/৯/২৬ইং তারিখ রোজ রবিবার । মামলা নং ০৪। ফৌজদারী দন্ড বিধি আইনের ১৪৩, ৩০৭, ৫০৬(২) ও ৩৭৯ ধারায় আসামীদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।


​মামলার এজাহার নামীয় আসামীরা হলেন পবার হরিপুর ইউনিয়নের সোনাইকান্দি,বেড়পাড়া এলাকার মৃত খলিলুর রহমান’র পুত্র ১. ফেরদৌস রহমান খোকন (৫৫), ২. ইসমাইল হোসেন পিন্টু (৬০), মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র ৩. এজাহারুল হক কাকন (৫৭), ৪.মৃত লুতফার রহমান ঝাটুর পুত্র আজিজুর রহমান (৬০) এবং মৃত আব্দুল মান্নানের পুত্র ৫. শহিদুল ইসলাম (৩৫)।
​
বাদীর থানায় দায়ের কৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর মৌজার সোনাইকান্দি জঙ্গলপাড়া এলাকার জমি সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ৩০৭/৫০৬ ধারার অপরাধ নিস্পত্তি করার উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতের নির্দেশক্রমে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০.৩০ টার দিকে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শালিসী বিচার বসে। বিচার চলাকালে ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগের সিএমএম আদালতের ১৮/২৩ নং মামলার আসামী আজিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বললে এই দুজন বিবাদীর ভাড়া করা মাস্তান ১-৩ নং আসামী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
​একপর্যায়ে এজলাসের সামনে আসামীরা ক্ষিপ্ত ও উত্তেজিত হয়ে চেয়ারম্যানকে তেড়ে আসলে সাংবাদিক জিয়াউল কবির বিষয়টি পুনরায় উচ্চ আদালতে পাঠানোর পরামর্শ দেন। এতে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে।
​পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসফিকুর রহমান রাসেল আসামীদের কক্ষের বাইরে বের করে দিলে তারা বাইরে গিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে সাংবাদিক জিয়াউল কবির বুঝতে না পেরে বাইরে বের হলে তার আসামিরা হামলা চালায়। বিবাদীরা তার গলা চেপে ধরে এবং ইট-পাথর দিয়ে ডান হাতের কব্জিতে আঘাত করে জখম করে। মারপিটের একপর্যায়ে ১ নম্বর বিবাদী খোকন তার বুক পকেট থেকে নগদ ৫,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। আসামি দের
হামলার মুখে বাদী জিয়াউল কবির হেলমেট দিয়ে নিজ মাথা রক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত মেম্বারসহ সাক্ষীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যানের কক্ষে নিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসামীরা সাংবাদিক জিয়াউল কবিরকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
মামলার বিষয়ে দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী সাংবাদিকের লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার পর থেকে এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযানসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।