খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সময় : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সময় : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সময় হওয়ায় এসময়ে মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চসিক জেনারেল হাসপাতালে ‘ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেল’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, একটি মৃত্যুও আমাদের জন্য কাম্য নয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় চসিক প্রতিরোধমূলক ও চিকিৎসামূলক দুই ধরনের কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনা করছে।

 

তিনি জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর, জেলার উপজেলা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৮৮২ জন। এর মধ্যে মহানগরে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন। এ পর্যন্ত মহানগরে চারজন, উপজেলা পর্যায়ে সাতজন এবং অন্যান্য জেলায় একজনসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় চসিকের মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ক্রাশ প্রোগ্রাম ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, লার্ভা ধ্বংসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত বিটিআই ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি এডাল্ট মশা নিয়ন্ত্রণেও নিয়মিত কার্যক্রম চলছে।
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর অতীত চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২২ সালে মহানগর ও জেলা মিলিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ৫ হাজার ৫৪৫ জন। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৮৭ জনে। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা কমে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ এবং ২০২৫ সালে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জনে দাঁড়ায়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৮৮২ জন।
মেয়র জানান, ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ৪১ জন, ২০২৩ সালে ১০৭ জন, ২০২৪ সালে ৪৫ জন এবং ২০২৫ সালে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১২ জন। সেপ্টেম্বর মাসে মহানগরে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

 

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ শুধু সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, কনটেইনার, নির্মাণসামগ্রীসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও ফুলের টব নিয়মিত পরিষ্কারের পাশাপাশি এসির পানি জমার স্থানও পরিষ্কার করতে হবে।কোথাও যেন তিনদিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে বলেন মেয়র। ডেঙ্গু আক্রান্তদের জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি, ওরস্যালাইনসহ তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে রোগীর অবস্থা দ্রুত জটিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। মেয়র বলেন, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সময়। অতীতের পরিসংখ্যানও সেটিই বলছে। তাই এই সময়ে সবাইকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। সিটি কর্পোরেশন তার দায়িত্ব পালন করছে, এখন নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠান শেষে মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।