খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শৈত্যপ্রবাহ বইছে পঞ্চগড়ে, তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:১৭ অপরাহ্ণ
শৈত্যপ্রবাহ বইছে পঞ্চগড়ে, তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে

টানা তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় দফায় জেলাটিতে শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। সন্ধ্যা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে গোটা এলাকা। এরপর শুরু হয় ঝলমলে রোদ। স্বস্তি ফেরে জনপদে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় রাতের গড় তাপমাত্রা (সর্বনিম্ন) ৯ দশমিক ৫ রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। বুধবার ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি। আর গত মঙ্গলবার রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি।

এদিকে, মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ) বেড়ে রেকর্ড করা হয় ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বিকালের পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত হালকা কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হয়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি। পঞ্চগড়সহ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তিন দিন ধরেই ১০-এর নিচে অবস্থান করছে। আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

এদিকে শীতের কারণে বেড়েছে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগ। প্রতিদিন জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি সুস্থ থাকতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

এর আগে, চলতি মাসের ১৩ থেকে ১৮ ডিসেম্বর টানা ৬ দিন শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছিল ‘হিমালয়কন্যা’ খ্যাত পঞ্চগড় জেলা। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, জেলায় গত ১৩ ডিসেম্বর ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি, ১৪ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি, ১৫ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি, ১৬ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি, ১৭ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি এবং ১৮ ডিসেম্বর ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।