খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিজিসি ট্রাস্টের দিনব্যাপী সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
বিজিসি ট্রাস্টের দিনব্যাপী সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সাংবাদিকতা শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়া এবং সিজেন-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ
লক্ষ্যে বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ‘সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ক্লাস্টারের জন্য আয়োজিত সাংবাদিকতা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই আঞ্চলিক সম্মেলনটি ডিডব্লিউ একাডেমি এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক-এর সহযোগিতায় এবং জার্মান কোঅপারেশন এর অর্থায়নে চন্দনাইশে বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। এই সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিংয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নির্বাচিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

 

 

দিনব্যাপী একাডেমিক আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ইয়াসির সিলমী।অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এর প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর এবং সিজেন-এর চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. জুড উইলিয়াম আর. হেনিলো। লেকচারার তাসনুভা তাহসিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. এস.এম. শোয়েভ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম এবং ডিডব্লিউ একাডেমির প্রতিনিধি জিমি আমির (প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর) ও আসমা হাশেমী (প্রজেক্ট অ্যাসোসিয়েট, এশিয়া ও ইউরোপ)। এই আয়োজনে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার সরওয়ার কামাল। উদ্বোধনী পর্বের পর অংশগ্রহণমূলক একাডেমিক সেশনগুলো শুরু হয়।

 

 

অধ্যাপক ড. জুড উইলিয়াম আর. হেনিলো মূল ‘রিসার্চ মেন্টরিং সেশন’ পরিচালনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের গবেষণাবিষয়ক মূল্যবান নির্দেশনা প্রদান করেন। এই সেশনটি সঞ্চালনা করেন ইয়াসির সিলমী। বিকেলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় ‘অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি মানসম্মত এবং সুগঠিত একাডেমিক গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কৌশলগত দক্ষতা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। দিনের কার্যক্রমে একটি বিশেষ সিজেন ক্যাম্পেইন অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. জুড উইলিয়াম আর. হেনিলো এবং ডিডব্লিউ একাডেমির জিমি আমির ও আসমা হাশেমী। এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক পর্যায়ের সাংবাদিকতা শিক্ষকদের মাঝে পারস্পরিক যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি, রিসোর্স শেয়ারিং এবং সহযোগিতামূলক উদ্যোগকে উৎসাহিত করা। অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে আঞ্চলিক ক্লাস্টার মিটিংটির আনুষ্ঠানিক সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে জ্যাকস কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের আয়োজনে ও পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।