খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে উদ্ধার ২৬ কষ্টি পাথরের মূর্তি ও ১৮১৮ প্রাচীন মুদ্রা জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে উদ্ধার ২৬ কষ্টি পাথরের মূর্তি ও ১৮১৮ প্রাচীন মুদ্রা জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর

সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ২৬টি প্রাচীন কষ্টি পাথরের মূর্তি ও ১৮১৮টি প্রাচীন মুদ্রা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদর দপ্তরে এসব প্রত্নসম্পদ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল রিয়াজ শাহরিয়ার, পিএসসি, জি আর্টিলারী বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালক জনাব মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও কীপার মোহাম্মদ মনিরুল হক এর নেতৃত্বে আসা চার সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের কাছে এসব প্রত্নসম্পদ হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরকৃত সম্পদগুলো ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা বিভাগ, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র এবং প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন। তারই ধারাবাহিকতায় এসব মূল্যবান প্রত্নসম্পদ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে ১ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, প্রত্নসম্পদ একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এসব প্রাচীন নিদর্শনের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য অপরিসীম। তাই প্রত্নসম্পদের অবৈধ পাচার ও ধ্বংস রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া প্রত্নসম্পদ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র, চোরাচালানসহ সব ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।