খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভুক্তভোগী দম্পতির প্রতিবাদ

গোদাগাড়িতে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও

আসগর আলী সাগর, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
গোদাগাড়িতে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও
গোদাগাড়িতে বিভিন্ন প্রলোভনে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও দম্পতি নামের এক সংবাদ সম্মেল করেন গোদাগাড়ী উপজেলার ২০-২৫ জন নারী। সংবাদ সম্মেলনের সেই শুকতারা দম্পতির সাথে কথা বলেছেন দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। একান্ত সাক্ষাৎকারে ঢাকার ডাক কে প্রতিবাদ জানিয়ে শুকতারা বলেন,”আমি মোসাম্মৎ শুকতারা বেগম, পিতা মোঃ আবুল হোসেন, মাতা মোসাম্মদ জোসনারা বেগম, গ্রাম বাসুদেবপুর, থানা গোদাগাড়ী, জেলা রাজশাহী। আমি শুকতারা এই মর্মে জানাইতেছি যে গত ৭/১/২৫ ইংরেজি তারিখ একটি অনলাইন চ্যানেল গোদাগাড়ী আপডেট নিউজ ও ফক্সনিউজ বিডিতে প্রকাশিত সংবাদ এর মাধ্যমে জানতে পারি সুকতারা মনিরুজ্জামান দম্পতি নামে তিন কোটি টাকার প্রতারণা সংবাদ প্রকাশ হয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন, এবং বানোয়াট। আমাদের পূর্বের শত্রুতার জের ধরে একটা চক্র আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে ।
আমরা এ সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আমি শুকতারা একজন সহজ সরল পরিশ্রমী মহিলা উদ্যোক্তা আমার মায়া বুটিকস এন্ড নকশী ঘর নামে সুইসগেট বাজারে বাসুদেবপুর গোদাগাড়ী রাজশাহীতে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং যাহার একটি অংশ বসতবাড়িতেও অবস্থিত । আমি ও আমার স্বামী উভয় মিলে উক্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে থাকি। আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ বছর কঠোর পরিশ্রম করে তিল তিল করে যেমন ব্যাংক লোন এনজিওলোন এবং সঞ্চিত টাকা নিয়ে প্রায় চার বছর আগে আমরা অত্যান্ত নিজে উদ্যোক্তা হয়ে ওপরে মায়া বুটিক এর নকশী ঘর নামিও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বড় পরিসরে চালু করি এবং ব্যবসায়িক পরিধি অতি দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পায়। আমি ও আমার পরিবার শুধুমাত্র কর্মজীবন এবং তৎ সংক্রান্ত চিন্তা ভাবনা ও কাজ  ছাড়া কোনদিনই কোন রাজনৈতিক মতাদর্শগত কোন কাজ, কোন সংগঠন সদস্য কিংবা কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা মূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম না । প্রায় চার বছর পূর্বে গ্রামের টানে গ্রামে এসে ব্যবসা শুরু করি তখন থেকে বিভিন্ন প্রভাব ও ক্ষমতাশালী পরিচয় দানকারী একটি চক্র তাদের লোকজন নানা  অজুহাতে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর নানা ধরনে অর্থের দাবি করতে থাকে । অন্যদিকে বাসুদেবপুর হাই কেয়ার কেজি স্কুলে আমার মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় স্কুলের হেডমাস্টার ও কমিটির নামে যৌন হয়রানির মামলা করা হয় থানায়। এবং সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেই থেকে শত্রুতার জের  বেড়ে যায় । এবং ৫ই আগস্ট স্বৈরাচার হাসিনার সরকার পতনের পর আমাদের শত্রুপক্ষ বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট এবং দোকানপাট অগ্নি সংযোগ করে তখন আমরা ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই।
এবং কয়েকদিন পর বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানানো হয় এবং থানায় লিখিত আকারে একটি অভিযোগ দেয়া হয়। তারপর ইউএনও স্যার সেনাবাহিনী দিয়ে আমাদেরকে বাসায় উঠিয়ে দিয়ে আসে। এবং গত ২৭/৯/২৪ তারিখ আমার শত্রুপক্ষ আমার স্বামীকে ডিবি দিয়ে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় , এবং পরে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে একটি রাজনৈতিক অজ্ঞাতনামা মামলায় জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। পরে আমার স্বামীকে জামিন করে বাড়িতে নিয়ে আসি।তারপর আমরা পরিবারসহ একটি নিরাপদ স্থানে আত্মগোপনে থাকি ।এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শত্রুপক্ষ কিছু মহিলাদের নিয়ে আমার বাসা থেকে লুট হয়ে যাওয়া চেক  নকল স্বাক্ষর দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ দেখিয়ে এবং আমেরিকা , ইতালিতে লোক পাঠানোর নাম করে শুকতারা মনিরুজ্জামান দম্পতির নামে তিন কোটি টাকা প্রতারণার যে মিথ্যা নিউজ এবং সংবাদ সম্মেলন করেছে তার আমরা তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে এর সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।