খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুশকির ৬ প্রাকৃতিক সমাধান জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
খুশকির ৬ প্রাকৃতিক সমাধান জেনে নিন

শীতের শুষ্কতার এই সময় খুশকির উপদ্রব যেন বেড়ে যায় বহুগুণে। মাথার ত্বক চুলকানোর পাশাপাশি খুশকির কারণে চুলও ঝরে পড়ে দ্রুত। বাজারের অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু কাজ না করলে প্রাকৃতিক সমাধান খুঁজতে পারেন। জেনে নিন খুশকির কিছু প্রাকৃতিক প্রতিকার সম্পর্কে

 

১। অ্যাসপিরিন শ্যাম্পু : অনেক ঔষধযুক্ত শ্যাম্পুতে স্যালিসিলিক অ্যাসিড থাকে, যা অ্যাসপিরিনের মতোই সক্রিয় উপাদান। দুটি অ্যাসপিরিন মিহি গুঁড়া করে নিন এবং প্রতিবার চুল ধোয়ার সময় নিয়মিত শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি এক থেকে দুই মিনিট চুলে রাখার পর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন এবং নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন।

 

৩। নিমের প্যাক : নিমের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ শুষ্ক মাথার ত্বক, খুশকি এবং মাথার ত্বকের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থে পূর্ণ। চুল পড়া বন্ধ করার পাশাপাশি খুশকি দূর করতে তাই এর রয়েছে ভূমিকা। আমলকীর রস এবং নিমের গুঁড়া ফুটন্ত পানিতে মিশিয়ে ১০ মিনিটের জন্য ঠান্ডা করুন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগান। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪। টি ট্রি অয়েল : টি ট্রি অয়েলে শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ রয়েছে। নারকেল, জোজোবা বা জলপাই তেলের সাথে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।

 

৫। অ্যালোভেরা জেল : অ্যালোভেরা একটি সুপরিচিত ময়েশ্চারাইজিং উপাদান যা চুলের শুষ্কতা দূর করে। এটি মাথার ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করার পরে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন। মাস্কটি চুল এবং মাথার ত্বকে লাগান। ধুয়ে ফেলার আগে এক ঘন্টা রেখে দিন।

৬। লেবুর রস ও নারকেলের তেল : লেবুর রসে পাওয়া ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ মাথার ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল অপসারণ করতে সাহায্য করে। খুশকি দূর করার জন্য নারকেল তেল দারুণ কার্যকর। এই তেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ যা মাথার ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। ৪-৫ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে ১-২ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ভালো করে নেড়ে একটি তুলোর বল ভিজিয়ে মাথার ত্বকে ঘষুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে চুল থেকে ধুয়ে ফেলুন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।