খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে ওয়ারিশান সনদ জালিয়াতি

সিআর পরোয়ানায় গ্রেফতার সাগর আলী ইয়াকুব

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সিআর পরোয়ানায় গ্রেফতার সাগর আলী ইয়াকুব

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার এর সীল, স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ওয়ারিশান সনদ তৈরির অপরাধে মামলায় থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন – উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নের গোপালপুরের মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে মোঃ সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলী। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম। গোপন সংবাদ পেয়ে ওসির নেতৃত্বে থানার একদল পুলিশ সন্ধা সাড়ে ৭ টা দিকে উবাহাটা ইউনিয়নে দুর্গাপুর বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক আসামী সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলীকে গ্রেফতারের পর পুলিশের পাহারায় আদালতে প্রেরন করা হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে উবাহাটা ইউনিয়নে গোপালপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে মোঃ সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলী উবাহাটা ইউনিয়ন পরিষদের ১৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭ ও ৩৪৮ ক্রমিক নম্বর প্যাডের পাতা সংগ্রহ করে চেয়ারম্যান এজাজ ঠাকুর চৌধুরী ও ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আব্দুল মতিন এর স্বাক্ষর ও সীল জালিয়াতি করে ওয়ারিশান সনদ তৈরি করে। জাল ওয়ারিশান সনদ দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘর নির্মাণ করতে বাঁধা প্রধান করেন। শেষ পর্যায়ে প্রতিপক্ষ লোকজন নকল ওয়ারিশান সনদ এর কারণে পুকুরের উপর বসবাস করে। এদিকে উবাহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার সীল ও স্বাক্ষর দেয়নি সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলীকে। চেয়ারম্যান ও মেম্বার সীল ও স্বাক্ষর জালিয়াতির কথা শুনে আতংক রয়েছেন। সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলী এধরণের জাল ওয়ারিশান সনদে সীল ও স্বাক্ষর করে বহু টাকা আত্মসাৎ করেছে। গোপালপুর গ্রামের ভুক্তভোগী হেলান মিয়া জানান চেয়ারম্যান এজাজ ঠাকুর চৌধুরী ও মেম্বার আব্দুল মতিন খুব ভাল লোক। তাদের কাছ থেকে ইউনিয়ন পরিষদের অনেক বাসিন্দা বিশ্বাস করে বিভিন্ন সনদে সীল ও স্বাক্ষর করে নেন। কিন্তু তারা এ ধরণের কোনো ওয়ারিশান সনদে সীল ও স্বাক্ষর করেন নি। সাগর আলী ওরফে ইয়াকুব আলী এ ধরনের ওয়ারিশান সনদ তৈরি করে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় জালিয়াতি মামলা হয়েছে। এ মামলায় আসামী পলাতক থাকায় আদালত পরোয়ানা ভুক্ত আসামী হিসেবে গ্রেফতার হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।