খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্ত্রী তানিয়ার পূনঃবিচারের আবেদন মঞ্জুর

খুলনার তরিকুল পুলিশের নামে যৌতুকের মামলা খারিজ

এফ এম মামুন, বিশেষ প্রতিনিধি (খুলনা)
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
খুলনার তরিকুল পুলিশের নামে যৌতুকের মামলা খারিজ

পুলিশে চাকরি রত সাব ইন্সপেক্টর তরিকুল ইসলাম সিকদারের বিরুদ্ধে তার প্রথম স্ত্রী তানিয়া আইন ভঙ্গের ও পরনারীতে আসক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন।

সূত্রমতে তানিয়া সুলতানা পিতা শেখ ওয়ালিদ হোসেন সাং নিজ গ্রাম ডাকঘর বাইনতলা খুলনা ২০২০ সালের আগস্ট মাসের ১২ তারিখ ডুমুরিয়া থানার ধামালিয়ার হাবিবুর রহমান হবি নামের এক কাজীর মাধ্যমে তরিকুল ইসলাম সিকদার পিতা পরশ উল্যাহ সিকদার সাং হোগলা বুনিয়া ডাকঘর পানখালী থানা দাকোপ জেলা খুলনার সাথে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়।
জানা যায় তরিকুল ইসলাম তৎকালীন সময় পুলিশে চাকুরি রত থাকার জন্য তার ভাই হালিম শিকদারের উপস্থিতিতে গোপনে বিয়ে কার্যসম্পন্ন হয় ধামালিয়ার কাজী হাবিবুর এর বাস গৃহে।

কিন্তু উক্ত বিয়েতে রেজিস্ট্রি না হওয়ায় পরবর্তীতে খুলনা সুন্দরবন কলেজের পাশে কাজী জাহাঙ্গীর আলম নামের ব্যক্তির নিকট হতে ২০২২ অক্টোবর মাসের ১ তারিখে আরেকটি রেজিস্ট্রি কাবিন করা হয়।

যে সকল সময়ের মধ্য দিয়ে তানিয়া ও তরিকুলের বৈবাহিক জীবন চলে আসছিল এক টানা পড়নের মধ্য দিয়ে।

তানিয়ার বিয়ের পর থেকে তরিকুলের চারিত্রিক গুণাবলী বিভিন্ন সময় আইন লঙ্ঘনের কারণ হয়ে ওঠে।

তানিয়া তরিকুলের সংসারে থাকাকালীন একাধিক নারীতে আসক্ত হওয়ার বিষয়টি তার নিকট প্রমাণিত হলে তানিয়া তরিকুল কে এ বিষয় থেকে ফিরে আসার জোর প্রতিবাদ জানায়।

তানিয়া, তরিকুলের পর নারীতে আসক্ত থাকার বিষয় নিয়ে কথা বললে তালাক দেয়ার হুমকি, মেরে ফেলার হুমকি, সহ নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায় পুলিশ তরিকুল শিকদার।

র্যাজারিত হয়ে তানিয়া এক পর্যায়ে তরিকুলের সংসার থেকে নিজের পিতার সংসারে চলে আসে তরিকুলের একাধিক নারীতে আসক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে তানিয়া অনেক তথ্য প্রদান করেন সাংবাদিকদের নিকট।

তানিয়া তরিকুলের সংসারে থাকাকালীন সময়ে তরিকুল পুলিশ একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক করার একটি লিস্ট তার গোপন নথি থেকে জব্দ করে তানিয়া যেটি সাংবাদিকদের কে দিলে দেখা যায় সেখানে একাধিক নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্কে জড়িত হওয়ার একটি লিস্ট যা তরিকুল তার কর্মজীবনে সেই সকল নারীর সাথে ঘটিয়েছিল।

এরই মধ্যে নুসরাত জাহান মুন্নি নামের এক গৃহবধুর সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা তোলেন তানিয়া এ মর্মে তথ্য প্রমাণ আছে কি না জানতে চাইলে তানিয়া একটি whatsapp এর ভিডিও কলের ছবি প্রদান করেন।

যেখানে দেখা যাচ্ছে তরিকুল সিকদার নুসরাত মুন্নির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ভিডিও কলে চ্যাট করেছে।

এছাড়াও তরিকুলের সংসারে তানিয়া সুলতানা থাকাকালীন অবস্থায় একাধিক নারীর সঙ্গে তার ছিল অবৈধ সম্পর্ক এমন তথ্য জানতে চাইলে তানিয়া সাংবাদিকদেরকে একাধিক নারীর নাম উল্লেখ করেন। সাতক্ষীরার মুনিরা, রাজশাহীর রাবেয়া, খুলনার লীনা, ঢাকা উত্তরার তাসফিনের বাসায় একবার আটক হলে তানিয়া ও তরিকুলের বড় ভাই হালিম শিকদার মুঠোফোনের মাধ্যমে কথা বলে তরিকুলকে উদ্ধার করে।

তরিকুলের অবৈধ সম্পর্কের কথা তানিয়া সুলতানা প্রতিবাদ করায় মে মাসের ৩০ তারিখে ঘর থেকে বের করে দেয় তানিয়াকে স্বামী তরিকুল।

যে বিষয় নিয়ে ২০২৩ এর জুনের ১৫ তারিখে একটি যৌতুক মামলা ও ২০২৩ এর ২১ জুনে একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করে খুলনা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোট – ৫ , গৃহবধূ তানিয়া ।

 

এবং তরিকুলের বিচারের দাবিতে তার স্ত্রী তানিয়া বাংলাদেশ মহা পরিদর্শক পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বরাবর একটি অভিযোগ করেন যা বিভিন্ন সময় কালক্ষেপণ করে অভিযোগকারী তানিয়ার আবেদনকে শিথিল করা হয়।

কেননা তানিয়ার স্বামী তরিকুল সিকদার পুলিশের সিআইডি ডিপার্টমেন্টে কর্মরত থাকায় প্রত্যেকটা অভিযোগ কৌশলগতভাবে তরিকুলের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে।

তরিকুলের ব্যাপারে আরো খোঁজখবর নিলে তানিয়া বলে তরিকুলের লিস্টে ২৩, জন নারীর নাম রয়েছে যাদের সঙ্গে তার শারীরিক মেলামেশা এবং পরকীয়ার কথা উল্লেখ করে তানিয়া
এমন কিছু নাম সাংবাদিকদের নিকট দেয় তানিয়া।

যাদের মধ্যে

মনিরা, রাখি, মুনিয়া ,রোমানা, মুসলিমা, মনি আক্তার, তাসকিন, রাবেয়া ,মরিয়ম রেক্সোনা ,তাপসী ,শিমু ,ঝুমা, শামীমা, আশা তানিয়া মিলিনা শাহনাজ লীনা, স্বপ্না, টুম্পা ,রিয়া, জ্যোতি, আশা , মুন, ফাতেমা ,তুলি ,মুনমুন, পিংকি, সুমাইয়া ,রুবাইয়া ,লাকি, হাবিবা, রিম্পা ,রাবেয়া ,আফরিন সহ একাধিক নারীর সঙ্গে ছিল তার শারীরিক মেলামেশা ও অবৈধ সম্পর্ক যা সে নিজে একটি ডাইরিতে লিপিবদ্ধ করেছিল যেটি তার প্রথম স্ত্রী তানিয়া কৌশল করে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে তরিকুল শিকদারের নিকট জানতে চাইলে তরিকুল শিকদার তানিয়ার সঙ্গে বিয়ের কথা স্বীকার করলেও তার সাথে কোন ঘর-সংসার হয় নাই এমন কথা বলে এবং তার নিকট সাংবাদিকরা একাধিক নারীতে আসক্ত থাকা ও দৈহিক সম্পর্কের কথা জানতে চাইলে তরিকুল বিষয়টি সু কৌশলে এড়িয়ে যায় কিন্তু সাংবাদিকদের নিকট যথার্থ প্রমাণ থাকায় এটাই তথ্য ভিত্তিক ভাবে প্রমাণিত হয় যে তরিকুল তার প্রথম স্ত্রী তানিয়াকে বৈবাহিক জীবনে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন অনিয়ম এবং নিজের কুকৃতির প্রতিবাদ করার জন্য তানিয়াকে তরিকুল তালাক দেয় এবং তানিয়ার নামে একটি মিথ্যা মামলাও দায়ের করে তরিকুল ।

তার মা কে দিয়ে জিডি করিয়ে।

এবং কুক্ষিগত ক্ষমতার বলে তানিয়ার উপার অমানবিক নির্যাতন চালায় পুলিশ তরিকুল।

এমন একজন চরিত্রহীন পুলিশ কিভাবে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে চাকরিরত অবস্থায় থাকে যেটি আইনের পরিপন্থী কিনা দেশের মানুষ জানতে চায়।

কেননা তরিকুল তার বিবাহিত স্ত্রী তানিয়ার উপর নির্যাতন একাধিক নারীকে বিবাহের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক মেলামেশা, যার অকাট্য প্রমাণ দিয়েছে তানিয় সাংবাদিকদের কে।

এবং তানিয়া তরিকুল শিকদারের বিরুদ্ধে একটি যৌতুক মামলা করেও তানিয়াকে নিরাপত্তাহীনতায় ও হুমকির মধ্য থাকতে হচ্ছে বিভিন্ন সময়।

ঝিনাইদহ জেলার সিআইডি তে কর্মরত থাকা তরিকুল মিথ্যা মামলার হুমকি দেখিয়ে যাচ্ছে এমত অবস্থায় বাদী তানিয়া সুলতানা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

তরিকুল শিকদারের অনিয়ম আর পর নারীতে আসক্ত থাকাই ছিল তানিয়ার বৈবাহিক জীবনের কাল তানিয়া তরিকুলের বিরুদ্ধে যে যৌতিক মামলাটি করেন কোট বিচারে তরিকুলকে খালাস দিলেও তানিয়া উক্ত রায়কে মেনে নিতে না পারায় পরবর্তীতে তরিকুলের বিরুদ্ধে খুলনা জেলা দায়রা জজ আদালতে আবারো পুন বিচারের জন্য আবেদন দিলে তানিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে, কোর্ট। তরিকুলের নামে করা যৌতুকের মামলা পুনরায় রজ্জু হয়।

এ পর্যায়ে গৃহবধূ তানিয়া আইনি লড়ায়ে আত্মসমর্পণ করতে রাজি নয়, গৃহবধূ তানিয়া ন্যায় বিচারের পানে ছুটেছেন বহু দরবারে।

পাইনি ন্যায়বিচার পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে দিয়েছেন তার স্বামী তরিকুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ কিন্তু আশাঅনুরুপ ফল পাইনিগৃহবধূ তানিয়া।

পুলিশের সিআইডি দপ্তর জিনইদহ জেলায় কর্মরত তরিকুল বিভিন্ন ভাবে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করার জন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্টের বিশেষ শাখা গুলো ম্যানেজ করেই চলেছে।

সর্বশেষ সাতক্ষীরা সিআইডিতে তানিয়ার তদন্তের ফাইলটি ইতিমধ্য এসেছে যেখানে তানিয়ার বৈবাহিক জীবনের এবং ইন্সপেক্টর তরিকুলের সাথে সাংসারিক জীবনের সকল বিষয়ে স্বাহ্মীরা সাক্ষ্য প্রদান করেছেন কিন্তু তানিয়া বলছেন আমি এবারও ন্যায় বিচার পাব না।

কেননা সাব ইন্সপেক্টর তরিকুল বিভিন্ন সময়ে পুলিশ ডিপার্টমেন্টের বিশেষ দপ্তর গুলোকে ম্যানেজ করে আমাকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করেছে আমি একজন নারী, সরকার নারীদের ব্যাপারে আইনি সকল সহায়তা দিয়ে থাকলে, ও আমি গৃহবধূ তানিয়া ন্যায় বিচার পাই নাই।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।