খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা ফুলতলা পল্লীমঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি রাস্তা সংস্কার

এফ এম মামুন, বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
খুলনা ফুলতলা পল্লীমঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি রাস্তা সংস্কার

খুলনা ফুলতলা আলকা পল্লীমঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা রিসোর্ট সেন্টারের পিছন দিকের সংযোগ সড়কটির বেহাল দশা। দীর্ঘ ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে ফুলতলা জামিরা রোডের সংযোগ সড়কটি মানুষের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংযোগ সড়কটিতে চলাচলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ সহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের পিছন দিকের চলাচলের সংযোগ সড়কটি অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চলাফেরা করে থাকে, সাথে সাথে অত্র এলাকার সাধারণ নাগরিকদের সমস্যার অন্ত নেই। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় সংযোগ সড়ক টি বিগত সময়ে অত্র এলাকার সাধারণ জনগণের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম হিসেবেই পরিচিতি লাভ করে, কেননা তাদের বিকল্প কোন রাস্তা বা পথ না থাকার জন্য যে রাস্তাটি ৮ ফিট সহ হাফ কিলোমিটার প্রশস্ত রয়েছে উক্ত রাস্তার পূর্ণনির্মাণ সহ কার্পেটিং এর দাবি জানিয়ে আসছে অত্র এলাকার ভুক্তভোগী নাগরিক কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণে বা রাস্তা নির্মাণে কোন ভূমিকা রাখেনি…..এ বিষয় নিয়ে আলকা পল্লী মঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষিকা বলেন আমাদের ক্যাচমেন্টএলাকার মধ্য ছেলেমেয়েরা দামের ক্ষেত্রে চলাফেরায় বেশ সমস্যা গো্রস্ত হচ্ছে কর্তৃপক্ষের আশু ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের শিক্ষাদানে সুগাম করবে এ ব্যাপার নিয়ে ফুলতলা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ গাউসুল আজম হাদীর একান্ত আলাপচারিতায় জানা যায় তিনি বলেন আলকা সরকারি মডেল পল্লীমঙ্গল স্কুলের পিছন দিয়ে যে, রাস্তাটি দীর্ঘ পুরাতন কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা না করায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর জন্য চলাচলে রয়েছে ব্যাপক ভোগান্তি ইতোমধ্যে উক্ত রাস্তাটি সংস্কারের নামে চলছে দুর্নীতি আর অনিয়ম যেখানে আমি ঘুরে দেখলাম এলাকার মানুষ খুব সমস্যার মধ্য জীবন যাপন করছে। হঠাৎ দামোদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিপলু ভুইয়া একটি থোক বরাদ্দের মাধ্যমে আলকা পল্লীমঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংযোগ সড়কটি সংস্কারের কাজ করেছে। যেখানে রয়েছে অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নানা অভিযোগ।

জানা গেছে দীর্ঘ ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে জামিরা রোডের সংযোগ সড়কটি মানুষের চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি। কেননা উক্ত রাস্তা দিয়ে আলকা পল্লীমঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চলাচল করে থাকে। একই সাথে রয়েছে প্রাথমিক টিচার উপজেলা রিসোর্স সেন্টার। এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে আলকা পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অভিযোগ করল উক্ত রাস্তা নিয়ে……অত্র এলাকার নারী পুরুষ সকলেই বলছে আমাদের এই রাস্তাটি অধিক পুরাতন এবং জনবহুল চলাচলের ক্ষেত্রে যার প্রভাব রয়েছে অনেক বেশি কিন্তু বৃষ্টির মৌসুমে দেখা যায় এই রাস্তার উপর দিয়ে জলবদ্ধতা সৃষ্টি সহ নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকে আলকা পল্লী মঙ্গল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

একই সাথে সাধারণ জনগণের দুঃখ, দুর্দশা শেষ থাকে না বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে। কিন্তু হঠাৎ করে নামমাত্র একটি সংস্কারের কাজ আমরা দেখতে পাচ্ছি যেখানে চেয়ারম্যান শিপলু ভুইয়ার একটি থোক বরাদ্দের হাস্যকর কিছু নির্মাণ কাজ হয়েছে নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই রাস্তাটি ভেঙ্গে ধসে পড়েছে নিম্নমানের বালি, ইট ব্যবহারে মনে হচ্ছে পূর্বের রাস্তায় ভালো ছিল রাস্তাটি পূর্বে ৮ ফিট থাকলেও এখন থোক বরাদ্দের সংস্কারে হয়ে গেছে ছয় ফিট। এ ব্যাপার নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে মোট ফোনে কথা বললে তিনি বলেন আমি ব্যস্ত আছি পরে কথা বলব।

আওয়ামী লীগের সময় পুকুর চুরি ,সাগর চুরি, সহ সব ধরনের দুর্নীতির প্রতিনিধিরা এখনো দুর্নীতির পাঁয়তারা করে চলেছে সাথে কিছু চামচাদেরও চামচামির শেষ নাই। ফুলতলা উপজেলার প্রশাসন কে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ এবং অতি শীঘ্রই তাদের প্রাণের দাবি অত্র এলাকার রোডটি কার্পেটিং সহ পূর্ণ নির্মাণে সরকার যেন বিশেষ ভূমিকা রাখে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।