খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সেমির আগে দুবাইয়ে অযথা ভ্রমণ, ডেভিড মিলারের তীব্র প্রতিক্রিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ
সেমির আগে দুবাইয়ে অযথা ভ্রমণ, ডেভিড মিলারের তীব্র প্রতিক্রিয়া

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালের আগে অযথাই দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুবাই সফর করতে হয়েছে। ফিরতেও হয়েছে দ্রুত। ভারত এক ভেন্যুতে খেলার সুবিধা পাওয়াতেই বাকিদের ঝক্কি পোহাতে হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের কাছে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পরাজয়ের পর এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন প্রোটিয়া ব্যাটার ডেভিড মিলার। তার কাছে মনে হয়েছে ব্যাপারটা সার্বিক বিবেচনায় মোটেও আদর্শ ছিল না।

দুবাইয়ে ভারত-নিউজিল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল শেষ চারে কে কার বিপক্ষে খেলবে। কিন্তু সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ বিবেচনায় দুই সেমিফাইনালিস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকেই দুবাই যেতে হয়েছে। অথচ ম্যাচ খেলবে একটি দল। সেই তুলনায় ভারত সবগুলো ম্যাচ দুবাইয়েই খেলে গেছে। বাকিদের পোহাতে হয়েছে ভ্রমণের বাড়তি চাপ। প্রোটিয়াদেরই যেমন দুবাই পৌঁছে কোনও ম্যাচ না খেলেই ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে পাকিস্তানে সেমির জন্য ফিরে আসতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে গেছে দুবাই। সেখানে তারা প্রথম সেমিতে ভারতের কাছে হেরেছে। সেসব নিয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫০ রানে পরাজয়ের পর মিলার বলেছেন, ‘এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইট। অত বেশি নয়। কিন্তু মূল ব্যাপারটা হচ্ছে আমাদের সেটা করতে হয়েছে, যা মোটেও আদর্শ ছিল না।

এমন মন্তব্যের কারণ অবশ্যই আছে। করাচিতে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর দ্রুত সময়ে দুবাইয়ের এই সফর পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। যেহেতু কোনও ম্যাচই সেখানে খেলতে হয়নি। যার জন্য ভ্রমণজনিত বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের, ‘একটা ম্যাচের পর সকাল সকাল আমাদের উড়াল দিতে হয়েছে। তার পর দুবাই পৌঁছেছি বিকাল ৪টায়। সেখান থেকে আবার পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ফেরত আসা। যা মোটেও আনন্দদায়ক ছিল না। মিলারের মূল কথা ছিল সার্বিক পরিস্থিতি তাদের জন্য মোটেও সহায়ক ছিল না। তার ভাষায়,‘ব্যাপারটা এমন নয় যে, আমরা ৫ ঘণ্টার সফর করেছি। আমাদের রিকোভার করার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি যেটা বলছি, সেটা মোটেও নিজেদের জন্য আদর্শ ছিল না। পরাজয় নিয়ে তার কথা, ‘ভালো উইকেট হলেও ৩৬০ রান তাড়া করা মোটেও সহজ নয়। ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উইকেটও ভেঙেছে। ফলে ওরা আমাদের চেয়ে বল স্পিন করার কাজটা সহজে করেছে।

চট্টগ্রামে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ডা. মহুয়া

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ডা. মহুয়া

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মহুয়া মজুমদার সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে

এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। গত ২১ সেপ্টেম্বর মীরসরাই এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন ৩৩তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার ডা. মহুয়া মজুমদার। এতে তাঁর মুখের ডানপাশে, চোখে এবং মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বর্তমানে তিনি নগরের অ্যাপোলো ইমপেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

ডা. মহুয়ার ভাই ডা. মিঠুন মজুমদার জানান, মীরসরাইয়ে চেম্বারে যাওয়ার পথে ডা. মহুয়াকে বহনকারী প্রাইভেট কারের সঙ্গে কার্গো ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। এক সপ্তাহ ধরে তিনি লাইফ সাপোর্টে।

 

 

 

 

 

বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সহকারী অধ্যাপক (চর্ম ও যৌন রোগ) ডা. মহুয়া মজুমদারের উন্নত ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা প্রয়োজন। হঠাৎ করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা পরিবার ও স্বজনদের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে বিধায় তার পরিবার সকল স্তরের চিকিৎসকসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা ও প্রার্থনা কামনা করেছেন। ডা. মহুয়াকে সুস্থ করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়াসে মানবিক বিবেচনায় ব্যক্তিগতভাবে অথবা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আর্থিক সহযোগীতা প্রেরণের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুরোধ জানান তিনি।

 

 

 

 

আর্থিক সহযোগিতার জন্য: বিকাশ (পারসোনাল) ০১৭৩৪৫৬৯৭৫৩-ডা. মিঠুন মজুমদার ও ০১৭৭৭৪৪৯২১০-মোহিত মজুমদার (ভাই)। রিতা নন্দী (মা)-A/C no: 0582160000234, One Bank Ltd, Chandgaon branch, Routing number 165151849 মিঠুন মজুমদার -A/C no: 2804130431001, City Bank PLC, Uttara branch, Dhaka. Routing number 225264634 মোহিত মজুমদার-A/C no: 0100263337021, Janata Bank PLC, Muradpur Branch, Routing number 135155325 স্বামী ও এক কন্যা নিয়ে বোয়ালখালীর সন্তান ডা. মহুয়ার সংসার। চর্ম ও যৌন রোগ বিষয়ে তাঁর সচেতনতামূলক ভিডিও বার্তা ব্যাপক প্রশংসিত। চিকিৎসক হিসেবেও তিনি রোগীদের কাছে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। তাঁর সুস্থতায় সবার দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে পরিবার।