খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান প্রতিবেশীরা

মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৪:১২ অপরাহ্ণ
মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান প্রতিবেশীরা

মাগুরার নিজনান্দুয়ালীব গ্রামে পৌঁছাতেই ৭ বছর বয়সী শিশু মামুন তার বাইসাইকেল নিয়ে এগিয়ে এলো। শিশু মামুন জানতে চাইলো, আপনারা কি ধর্ষণকারী হিটুর বাড়িতে যাবেন? হ্যাঁ বলতেই মামুন সাইকেল চালিয়ে পথ দেখাতে লাগলো। মামুনের মতো অনেক শিশুকেই দেখা গেলো খেলার মধ্যেই বলে উঠছে ‘ধর্ষণকারীর ফাঁসি চাই’। এই শিশুদের মতোই প্রতিবেশী নারী-পুরুষ সবার দাবি ধর্ষকদের ফাঁসি চাই। ধর্ষক হিটু শেখের বাড়িতে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো, বাড়ির সামনে গাছের নিচে ঘুমিয়ে আছে হিটু শেখের বৃদ্ধা মা। প্রতিবেশীরা জানালেন, বাড়ির চার জনকে গ্রেফতার করার পর এ বাড়ি এখন ফাঁকা। শুধু হিটু শেখের বৃদ্ধা মা গাছের নিচে কিংবা বারান্দায় দিনরাত ঘুমিয়ে থাকে।

প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজায় চক দিয়ে লিখে দিয়েছে ধর্ষণকারী হিটু শেখের বাড়ি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেলো, পুরো পরিবারটিই বিভিন্ন অপকর্মের সাথে সঙ্গে থেকেই যুক্ত। এর আগেও হিটু শেখ এ ধরনের কাজ করেছে কিন্তু তার পরিবার এসব বিষয় ধামাচাপা দিয়ে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিবেশী জানান, হিটু শেখের পুরো পরিবার ধর্ষণের সাথে যুক্ত। শিশুটির বোনের স্বামী, দেবর, শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই এ ঘটনায় জড়িত বলে মনে হয়েছে। ঘটনার দিন সকালে পরিবারের সকলের আচরণ ছিল সন্দেহজনক। প্রতিবেশী রিমন মিয়া বলেন, ‘এই পরিবার বহু আগে থেকেই এরকম অপকর্মে জড়িত। আমরা এদের ফাঁসি চাই।

আম্বিয়া খাতুন বলেন, ‘আমার বাচ্চারাও বড় হচ্ছে। এই ঘটনার বিচার না হলে ভবিষ্যতে আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা থাকবে না। উল্লেখ্য, গত বুধবার (৫ মার্চ) বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে গভীর রাতে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের ওই শিশু। শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার সকালে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকার সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির ভগ্নিপতি সজীব হোসেন (১৮) ও বোনের শ্বশুর হিটু মিয়া (৪২), সজীব শেখের ভাই রাতুল শেখ (১৭) এবং তাদের মা জাবেদা বেগমকে (৪০) রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।