খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের অগ্রাধিকার

দিনাজপুরে বিএডিসির সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

মুকুল চট্টোপাধ্যায়, দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে বিএডিসির সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
দিনাজপুরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) পরিচালিত সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ উঠেছে সাবেক ফ্যাসিষ্ট সরকারের মন্ত্রী ও এমপিদের সুপারীশে ৮১ জন বীজ ডিলারের মধ্যে ৩০ জন বীজ ডিলারকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই সব নিয়োগকৃত ডিলারদের মধ্যে মামলা এবং কেউ মারা গেছেন। তারাও সার ডিলারে নিয়োগ পেয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশকৃত ৮১ জনের তালিকা থেকে প্রায় কোটি টাকার বিনিময়ে মাত্র ৩০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিযুক্তদের অধিকাংশেরই সার ডিলারশিপের জন্য প্রাথমিক শর্তপূরণের অভাব রয়েছে; যেমন দোকান, সাইনবোর্ড বা বৈধ ব্যবসার রেকর্ড নেই। প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অনেকে দাবি করছেন। জেলা সার মনিটরিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে ৫১ জনকে বাদ দেওয়ার কারণ উল্লেখ না থাকায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। অভিযোগের মূল লক্ষ্য দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সাবেক উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান। দাবি করা হয়েছে, বিএডিসির পিও মিজানুর রহমান এবং বীজ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের হাবিব নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে নুরুজ্জামান কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
স্থানান্তরের প্রাক্কালে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ৩০ জনের তালিকা চূড়ান্ত করে ২৭ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই সভায় ভূল বুঝিয়ে জেলা প্রশাসক সহ অন্যদের স্বাক্ষরে পাশ করিয়ে নেওয়া হয়। ১৩টি উপজেলার মনিটরিং কমিটি কতৃক বাছাইকৃত ৮১ জনের নাম জেলায় পাঠালেও দীর্ঘদিন ফাইলে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক উপপরিচালক নুরুজ্জামানের সাথে দালালদের আর্থিক লেনদেনের জটিলতায় এই বিলম্ব ঘটে। অবশেষে, তার স্থানান্তরের ঠিক আগে ৩০ জনের নিয়োগ চাপিয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যেক নিয়োগপ্রাপ্তকে ৫ থেকে ৭ লাখ করে টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এসএম হাবিবুল হাসান এবং জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। জেলা সার মনিটরিং কমিটির সদস্য ও বিএডিসির আঞ্চলিক যুগ্ম পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো তথ্য তার অজানা। তিনি বলেন, সভার রেজুলেশনে বাদপ্রাপ্তদের কারণ উল্লেখ থাকা জরুরি ছিল। লাইসেন্স প্রদান করলেও এই ৩০ জন সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। বিএডিসির সহকারী মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে দালালির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
অন্যদিকে, সাবেক উপপরিচালক নুরুজ্জামান স্বীকার করেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, আওয়ামী লীগ ও বীজ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের চাপে কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। টাকাপ্রাপ্তির বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন। তবে জেলা প্রশাসক চাইলে এই নিয়োগ বাতিল করতে পারেন। তবে, নিয়োগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। দিনাজপুরের বিএডিসির সার ডিলার অ্যাসোসিয়েশন নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।