খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিম আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিম আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র

তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিম আমদানি করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। শুধু তাই নয়, মার্কিন ভোক্তাদের জন্য ডিমের সর্বোচ্চ দামের চাপ কমাতে আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। হোয়াইট হাউজে মার্কিন কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রোলিন্স সাংবাদিকদের বলেন, স্বল্পমেয়াদে আমরা শত শত মিলিয়ন ডিম আমদানি করব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল্যহ্রাসের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও গত এক বছরে ডিমের দাম ৬৫% এর বেশি বেড়েছে। ২০২৫ সালে আরও ৪১% বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে ডিম আমদানির এই ঘোষণা এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়া বার্ড ফ্লু মোকাবিলায় এক বিলিয়ন ডলারের (৭৯২ মিলিয়ন পাউন্ড) একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে প্রশাসন।

বার্ড ফ্লুর কারণে ইতোমধ্যে মার্কিন কৃষকদের কোটি কোটি মুরগি মারতে বাধ্য হতে হয়েছে। রোলিন্স জানান, তার বিভাগ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে নতুন ডিম সরবরাহ নিশ্চিত করতে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, যখন আমাদের মুরগির সংখ্যা পুনরায় বাড়বে এবং ডিম উৎপাদন শিল্প পুরোপুরি সচল হবে, তখন আমরা আমাদের নিজস্ব উৎপাদিত ডিম বাজারে নিয়ে আসতে পারব। আশা করি কয়েক মাসের মধ্যেই ডিম উৎপাদন স্বাভাবিক হয়ে আসবে।  ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার পোলট্রি সংগঠনগুলো বলেছে যে, মার্কিন দূতাবাসগুলো তাদের সম্ভাব্য ডিম রপ্তানি নিয়ে যোগাযোগ করেছে।

বার্ড ফ্লু বহু বছর ধরে মার্কিন পোলট্রি খাতে বিদ্যমান থাকলেও, ২০২২ সালে শুরু হওয়া একটি ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের ফলে প্রায় ১৫৬ মিলিয়ন মুরগীকে হত্যা করতে বাধ্য হয়। তখন ডিমের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।