খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

চুনারুঘাটে উবাহাটা ইউনিয়নে জনতার হাতে ডাকাত আটক

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে উবাহাটা ইউনিয়নে জনতার হাতে ডাকাত আটক

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নে ডাকাতি প্রস্তুতি কালে ১ কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে জনতা। ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার গভীর রাত দেড়টায় উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নে দিয়াগাঁও গ্রামে মৃত আব্দুল করিম এর ছেলে দুবাই প্রবাসী মোঃ সাজল মিয়া বসত বাড়ীতে স্থানীয় জনতা পাকড়াও করে ১ ডাকাতকে আটক করা হয়। আটককৃত ডাকাত থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় উবাহাটা ইউনিয়নে দিয়াগাঁও গ্রামে দুবাই প্রবাসী মোঃ সাজল মিয়া বসত ঘরে প্রায় ৭-৮ জনের চক্রটি রশি ও দেশীয় ধারালো ছুরি, রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতি কালে বাড়ির লোকজন চিৎকারে আশপাশের অসংখ্য জনতা দৌড়ে এসে পরিবার লোকজনকে প্রাণ বাঁচায় এবং জনতার দাওয়া খেয়ে ডাকাত দলের চক্র পালিয়ে গেলেও উক্ত চক্র মধ্যে ১ জন ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয় জনতা। গণধোলাই খেয়ে আটককৃত ডাকাত পরিচয় দেয় একই উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের এখতিয়ার পুর গ্রামের মোঃ ইউনুস মিয়া ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৪০)। সে জনতার হাত থেকে বাঁচার জন্য শানখলা ইউনিয়নে মেম্বার মোঃ ভিংরাজ মিয়ার চাচাতো ভাই পরিচয় দিয়ে ও রক্ষা হয়নি ডাকাত মোঃ রুবেল মিয়া। শেষ পর্যায়ে স্থানীয় জনতা আটককৃত ডাকাতকে উবাহাটা ইউনিয়নে মেম্বার মোঃ আইয়ুব আলী জিম্মায় তুলে দেন। পরে মেম্বার মোঃ আইয়ুব আলী থানা পুলিশ কে খবর দিলে থানার একদল পুলিশ ডাকাতির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অনেক আলামত পায় এবং উপস্থিত পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। স্থানীয় জনতা ও দুবাই প্রবাসী লোকজন ভয়ে আতংক রয়েছে। এ ডাকাত আটক করার পর ভয়ে কেউ থানায় মামলা করেনি। গ্রামবাসী জনতা ও দুবাই প্রবাসী পরিবার মনে করেন, থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত দেখে ডাকাতকে থানায় নিয়ে যায় বাদী হবে পুলিশ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।