খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশের পর শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ৪ মাস পর ৭২৫টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড আসছে

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশের পর শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ৪ মাস পর ৭২৫টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড আসছে

জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ ও হবিগঞ্জের বেশ কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ৪ মাস পর ৭৫০ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড আসছে। সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ৯ টি ওয়ার্ডে মধ্যে টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ড দারী ২ হাজার ১৫৭টি। এর মধ্যে ১ হাজার ১ শ ৭ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড পেয়ে টিসিবি পণ্য ক্রয় নিচ্ছে ডিলারদের কাছ হতে। বাকি ১ হাজার ৫০ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড সহ অন্যান্য ওয়ার্ডে অসহায় পরিবারের হাতে টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় ডিলারের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে না চার মাস ধরে।

এ ব্যাপারে গত ৯ ও ১১ মার্চ এবং ১০ এপ্রিল জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ সহ হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত স্থানীয় দৈনিক খোয়াই, হবিগঞ্জের মুখ, হবিগঞ্জ সমাচার, হবিগঞ্জের বাণী , আজকের হবিগঞ্জ, প্রভাকর, হবিগঞ্জের আয়না, বিজয়ের প্রতিধ্বনি সহ সরকারি নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৩ মে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর বাজার (এল এসডি খাদ্য গুদাম) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এর উপ-পরিচালক সোহেল রানা হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ফরিদুর রহমান নিকট ১৯ হাজার ৮ শত ৫ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড হাতে তুলে দেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ফরিদুর রহমান শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব হোম দাস নিকট ১ হাজার ২ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড এসে পৌছেছে। এর মধ্যে ৭ শ ২৫ টি শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা হবে।

বাকি ২৭৭ টি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন গুলোতে সরবরাহ করা হবে। অপরদিকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় বিগত কয়েক মাস পূর্বে ১ হাজার ১শ ৭ টি টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে ৯৭০ টি নতুন স্মার্ট কার্ড (একটিভ) হলেও বাকি ১৩৭ টি নতুন স্মার্ট কার্ড অকার্যকর (নন একটিভ)। যার কারণে পৌর সভার ১৩৭ জন নন একটিভ নতুন স্মার্ট কার্ড দারি ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে না। এ ব্যাপারে পৌর সভা সহকারী মোঃ আতাউর রহমান জানান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ৯টি ওয়ার্ডে টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ড, এনআইডি ফটোকপি, মোবাইল নম্বর যাচাই -বাছাই করে আমরা সেখানে পাঠিয়েছি এবং পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব হোম দাস এর প্রচেষ্টায় যে-সব সুবিধা ভোগীরা হাতে টিসিবি স্মার্ট সরবরাহ করা হবে। অনেক নতুন স্মার্ট কার্ড আসেনি নানা সমস্যা রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।