খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আতঙ্কে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাবাসী

পাহারি ঢলে খোয়াই নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদনদী পানি ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
পাহারি ঢলে খোয়াই নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদনদী পানি ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী সহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে জেলার নিম্ন এলাকা গুলোতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খোয়াই নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে গেছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় খোয়াই নদীর পাড় ঘেঁষে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি, বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা রয়েছে যে কোনো জায়গা দিয়ে। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরে পূর্ব লেঞ্জাপাড়া ও আলাপুর এলাকার লোক সূত্রে জানা যায় গত তিনদিন ধরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য উঁচু পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বৃষ্টি কারণে খোয়াই নদীর পানি হঠাৎ করে বেড়ে যায়। যদিও এখনো পানি বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা যায়। এদিকে টানা বৃষ্টি কারণে নদীর বাঁধে কাঁচা অংশে ধস দেখা দিয়েছে। আবার কোনো জায়গা পুরাতন অংশে দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পৈইল ইউনিয়নে পূর্ব ভাদৈ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধের কিছু অংশ ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এলাকাবাসী মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনা দেখে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর৷, আলাপুর, পূর্ব লেঞ্জাপাড়া,পুরান বাজার চুনারুঘাট উপজেলার করিমপুর, চান ভাঙাসহ বিভিন্ন এলাকায় খোয়াই নদীর ঘেঁষে উভয় বাঁধের বাড়ি ঘরের লোকজন বাঁধ পাহাড়া দিচ্ছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে বৃহৎ এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়বে লক্ষ লক্ষ মানুষ। খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙলে উপজেলার সরকারি বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লার ঘর-বাড়ি, হাটবাজার, দোকানপাঠ সহ অনেক কিছু মারাত্মক ক্ষতি সাধন হবে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ জানান বৃষ্টি থামায় বন্যার সম্ভবনা অনেকটাই কমেছে। তবে ভারতের ত্রিপুরা পাহাড়ি এলাকায় যদি আবার বৃষ্টি হয় তাহলে খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী পরিস্থিতির উপর সতর্ক নজর রাখছেন। একই সঙ্গে প্রতিটি এলাকায় উভয় নদীর বাঁধে স্বেচ্ছা শ্রমে পাহারা দিয়ে যাচ্ছে এলাকার তরুণরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।