খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে জংশন যেন বিভিন্ন অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। চোর, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলমপার্টি সহ নানা অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে এই রেল স্টেশন জংশনটি। মনে হয় তাদের জমিদারী সম্পত্তি হিসেবে বাড়ি ঘর তৈরি করেছে রেল স্টেশন। চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তা হীনতার ভোগছে যাত্রী সাধারণ। বিভিন্ন অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কেউ নেই? মাঝে মাঝে শুনা যায় ট্রেন যাত্রীদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, স্বর্ণের চেইন, মূল্যবান জিনিস পত্র ছিনতাই হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

স্টেশন এলাকায় অপরাধীরা দিবারাত্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে তৎকালীন বৃটিশ সরকার আমল থেকেই এ জংশনের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। ফলে এ জংশনের সুনাম দিন দিন নষ্ট করে ফেলছে। কম খরচে আরাম দায়ক ও নিরাপদ ভ্রমনের জন্য যাত্রীরা শায়েস্তাগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রেনে যাতায়াত করে থাকে। প্রতিদিন শায়েস্তাগঞ্জ থেকে বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০-১৫ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করে থাকে। যাত্রীদের ভ্রমণের জন্য ঢাকা-সিলেট রুটে ৫টি আন্তঃনগর ও দুটি মেইল ট্রেন চলাচল করে। আর এ সুবাদে চোর, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ট্রেনে উঠা ও নামার সময় সুযোগ বুঝে এমন ভাবে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, স্বর্ণের চেইন, জিনিসপত্র ছিনতাই নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছিনতাই হওয়ার সময় অনেক যাত্রী কোনো টের পায় না। ছিনতাই হওয়ার পর অনেক যাত্রী ট্রেনে উঠে অনেক মহাবিপদে পড়তে হয়। আবার কেউ অজ্ঞান হয়ে পরে থাকে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা ও ট্রেনের যাত্রীরা জানান স্টেশনের পাশে অনেক ভাসমান রয়েছে কিন্তু রেলওয়ে জায়গায় বস্তি দখল করে বস বাস করছে এবং রেলওয়ে অনেক পরিত্যক্ত বাসা দখল করে বিভিন্ন অপরাধীকে ভাড়া দিয়ে আসছে। দীর্ঘ দিন ধরে শায়েস্তাগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে দিবারাত্রি চোর, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, মাদকসেবী সহ নানা অপরাধ বেড়েছে। রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ মাঝে মাঝে অপরাধীকে ধরে নিয়ে গেলে ও বিভিন্ন দিক থেকে চাপ আসে মোবাইলে বা বিভিন্ন ভাবে হুমকি। নিরুপায় হয়ে অনেক অপরাধীকে ছেড়ে দিতে হচ্ছে। উপজেলা কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও লোকজন জানাজানি হলে অপরাধী আটক হলে পুলিশ কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায়।

গত বৃহস্পতিবার (১৯ জুন ), বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে সন্দেহ জনক হিসেবে এক নারী চোরকে আটক করে রেল পুলিশ। এসময় আটককৃত নারী কাছ থেকে একটি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কর্মরত সাংবাদিক সংগঠনের কোনো সদস্য না গিয়ে কে বা কারা কতিপয় দুই জন নামধারী সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পুলিশের সাথে রফাদফা করে মহিলাকে ছেড়ে আনার চেষ্টা চালায়। পুলিশ নারীকে জিজ্ঞাসা করে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে মুসলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়। প্রতিদিন ছিনতাইকারী যুবক, কিশোর, টোকাই, মাদকসেবি ও নারী মহিলা উৎপেতে বসে থাকে। সুযোগ পেলেই ট্রেনে উঠার সময় বা নামার সময় মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, স্বর্ণের চেইন, জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয়। বেশির ভাগ ছিনতাই হয় আন্তঃনগর ট্রেনে।

অপরদিকে স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার সময় জানালা সামন থেকে লাফ দিয়ে মোবাইল বা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দিয়ে পালিয়ে যায়। ছিনতাইকারী মোবাইল নিতে পারলে মোবাইল সার্ভিসিং দোকানে বা দূরদূরান্ত নিয়ে বিক্রি করে দেয়। ছিনতাই কারীরা কোনো থানায় বা পুলিশ ফাঁড়িতে আটক হলেই বিভিন্ন কৌশলে তাদের নিজস্ব কিছু সিন্ডিকেট চক্র ছেড়ে নিয়ে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।