খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাদারগঞ্জে দীর্ঘ ৩০ বছর পর ভয়াবহ ডাকাতি, আহত ১ জামালপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন 

তারিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫, ৮:০০ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে দীর্ঘ ৩০ বছর পর ভয়াবহ ডাকাতি, আহত ১ জামালপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন 
জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ২ নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের ৫  ওয়ার্ডের মহিষবাথান পূর্ব পাড়া সমাজী বাড়িতে প্রায় তিন দশক পর সংঘটিত হলো এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল এই চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনা ঘটায়।
ডাকাত দলের মূল টার্গেট ছিল মোঃ ফকির আলীর বাড়ী। জানা যায়, তার ঘরে গরু বিক্রির নগদ অর্থ  ও জমি বন্ধক রাখা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সংরক্ষিত  ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাত দল পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই টাকার খবর পেয়ে এই হামলা চালিয়েছে।
প্রথমে ডাকাতরা আশেপাশের ঘরগুলোর দরজা বাইরে থেকে বেঁধে দেয়, যাতে কেউ বাইরে বের হতে না পারে এবং ডাক-চিৎকার দিয়ে প্রতিবেশীদের সতর্ক করতে না পারে। এরপর তারা মোঃ ফকির আলীর ঘরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। ঘুমন্ত ফকির আলী বুঝতে পারার সাথে সাথেই প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে ডাকাতদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
প্রতিরোধে ক্ষিপ্ত হয়ে ডাকাত দলের একজন ধারালো ছুরি দিয়ে মোঃ ফকির আলীকে আঘাত করে। তার বুক ও কাঁধে গভীর জখম হয় বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানায়, তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে ডাকাতরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় মোঃ ফকির আলীকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তার ছেলে মোঃ বিপুল জানান, বর্তমানে তার বাবা আশঙ্কামুক্ত এবং জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তিনি বলেন, “আমার বাবা গরু বিক্রি করেছিলেন এবং জমি বন্ধকের টাকা ফেরত দিতে কিছু টাকা ঘরে রেখেছিলেন। ডাকাতরা সেটা জানতো বলেই পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়ি টার্গেট করেছে।”
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, গত প্রায় ২৮ থেকে ৩০ বছরে এই এলাকায় ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।