খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় ইউএনও পল্লব হোম দাস

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় ইউএনও পল্লব হোম দাস

নির্ধারিত স্থান , সরকারি বরাদ্দ বা কোনো সহায়তা অভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ৪১ বছরের ঐতিহ্যবাহী হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীতে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার সকালে পাবলিক লাইব্রেরি সভা কক্ষে পাঠক , সদস্য , সুধীজনকে নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । পাবলিক লাইব্রেরি সহ-সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সেনেটারী অফিসার আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক মোঃ হামি দুল হক বুলবুলের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) পল্লব হোম দাস।

মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন মামুন বলেন , ১৯৮৪ সালে শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি গঠন করা হয় । ১৯১৭ সালে পাবলিক লাইব্রেরি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় । যার মূল লক্ষ্য হলো – পাবলিক লাইব্রেরি গঠন হওয়ার পর পৌর শহরে দাউদ নগর বাজার বাল্লা রেল গেইট পাশে পরিত্যক্ত রেলওয়ে ভূমিতে পাবলিক লাইব্রেরি ঘর নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থান ছিল । অথচ অর্থ অভাবে পাবলিক লাইব্রেরি ভবন নির্মাণ করা যায়নি । পরিত্যক্ত জায়গায় পাবলিক লাইব্রেরি সাইনবোর্ড নিয়ে গিয়েছে কে বা কারা।

একটি চক্র পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপনা না হওয়ার জন্য খালি জায়গা সুযোগ পেয়ে বসে রয়েছে রিস্কা মেরামত ও চা দোকান বসে আছে । অথচ পাবলিক লাইব্রেরি জন্য নির্ধারিত জায়গায় সরকারি বরাদ্দ দিয়ে ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন । দীর্ঘ বছর ধরে পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন মামুন টিনের চাপটা ছোট একটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে খুব কষ্টে পাবলিক লাইব্রেরি চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ বা কোনো সহায়তা না পাওয়ায় নিজের তহবিল ও সদস্যদের টাকা দিয়ে পাবলিক লাইব্রেরি খুব কষ্টে চালানো হচ্ছে। এদিকে পাবলিক লাইব্রেরি পরিবেশ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য আরাম দায়ক পরিবেশ তৈরি করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন লেখককের বই রয়েছে।তবে সংবাদপত্র প্রচার করা, নতুন পাঠক আকর্ষণ সহ পাঠক সেবা, নতুন সদস্য পদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন – পাবলিক লাইব্রেরি আজীবন সদস্য জসিমউদদীন চৌধুরী , বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল আলী , শায়েস্তাগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ মঈনুল হাসান রতন , অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, উপজেলা মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ সৈয়দুর রহমান সাইদুর । পাঠক সদস্য ও সুধী জনের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি মেম্বার মোঃ নজরুল ইসলাম হিরা , আব্দুর রহিম প্রমূখ । প্রধান অতিথি ইউএনও পল্লব হোম দাস বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান প্রয়োজন।

যদি ও পাবলিক লাইব্রেরি কি ভাবে আছে আমি দেখবো। পাবলিক লাইব্রেরি জন্য সরকারি বরাদ্দ ও আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। বর্তমানে ভাড়া করা পাবলিক লাইব্রেরি পাঠকরা আরামদায়ক হিসেবে বই ও সংবাদপত্র শান্ত ভাবে বসে পড়তে পারে উন্নত পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হবে।যাহাতে পাবলিক লাইব্রেরিতে শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব এবং সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী রা অংশ নেয়। পাবলিক লাইব্রেরি স্থান নির্ধারণ করে ভবন নির্মাণ করা , বইয়ের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি, সকল সংবাদপত্র রাখা, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সুযোগ সুবিধা করে প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এর সাথে কথা বলবো। অবশেষে বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল আলী ১ এসি দান করবেন বলে প্রস্তাব করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।