খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া পারাপার: জনদুর্ভোগ চরমে

সোহেল রানা, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ
গলাচিপার গোলখালী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া পারাপার: জনদুর্ভোগ চরমে

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া একটি নদীর দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র ভরসা এখন ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া পারাপার। প্রতিদিন শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই খেয়ায় চলাচল করলেও, এর বেহাল দশা এবং ইজারাদারের স্বেচ্ছাচারিতায় জনদুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে।

নদীর দুই পাড়ে জেটি না থাকায় গাড়ি উঠানো-নামানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রীদের খেয়ায় উঠতে ও নামতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ছোট-বড় যানবাহন এবং সাধারণ যাত্রীরা কাদামাটির মধ্য দিয়ে খেয়ায় ওঠানামা করতে বাধ্য হচ্ছেন। সামান্য বৃষ্টিতেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে যে খেয়াটি চলাচল করছে, সেটি ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী ও যানবাহন বহন করছে। এটি একটি বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনার জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ রয়েছে, খেয়াঘাটের ইজারাদার মো. আলামিন মৃধা ও মোঃআনোয়ার মিয়া নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইজারাদার বিভিন্ন দপ্তরের কথা বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে টোল চার্ট ছাড়াই ঘাট চালাচ্ছেন। এতে করে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং ইজারাদারের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, খেয়া পারাপারের এই নাজুক অবস্থা এবং ইজারাদারের স্বেচ্ছাচারিতা ।

এলাকাবাসী দ্রুত একটি জেটি নির্মাণ এবং খেয়াঘাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীমাতৃক বাংলাদেশে খেয়া পারাপার একটি অপরিহার্য ব্যবস্থা। তবে এর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ খেয়া চলাচল শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং জীবনহানির আশঙ্কাও তৈরি করে।

গোলখালী ইউনিয়নের জনসাধারণের এখন একটাই দাবি দ্রুত এই খেয়াঘাটের আধুনিকীকরণ, জেটি নির্মাণ এবং নির্ধারিত ভাড়ায় নিরাপদ খেয়া পারাপার নিশ্চিত করা। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।