খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তীব্র শীতে আগুন পোহাতে ধুম পড়েছে হবিগঞ্জের গ্রাম গুলোতে

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
তীব্র শীতে আগুন পোহাতে ধুম পড়েছে হবিগঞ্জের গ্রাম গুলোতে

শীতের সকালে খড়-কুটো দিয়ে আগুন পোহাতে হবিগঞ্জের গ্রাম গুলো প্রাকৃতিক দৃশ্য।পৌষের শীতে সবাই গরমের পোশাকে জবুথবু। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় সকাল সন্ধায় আগুন পোহানো দৃশ্য দেখা যায়। প্রচন্ড শীতে আগুন পোহানোর দৃশ্যটি সবার কাছে পরিচিত।

সেটা হলো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আগুন পোহানো। এমন চিত্র শুধু গ্রামেই দৃশ্যমান। বুধবার সকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে লাদিয়া গ্রামে দেখা যায় , খড়- কুটো দিয়ে আগুন ধরিয়ে চারপাশে ৭-৮ জন মিলে আগুন পোহাতে দেখতে পাওয়া যায়। কেউ দাঁড়িয়ে , কেউ বসে যে ভাবে পারছেন আগুনে তাপ পোহাচ্ছেন। শৈত্য প্রবাহের নাজেহাল অবস্থা সবার। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় সবাই জবুথবু -শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার একই হাল। শীত থেকে বাঁচার সাধ্য কারও নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার জনসাধারণের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে বৃদ্ধ , নারী ও শিশুরা। শীতবস্ত্র ও খাবারের সংকটে জেলার চা-শ্রমিক থেকে শুরু করে গ্রামের হাজার হাজার দরিদ্র মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

জেলা জুড়ে এক সপ্তাহ শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা। শীতের তীব্রতা ও ঘন কুয়াশায় সকালে কৃষকরা জমিতে পরিচর্যা করতে যেতে পারছেন না। জানতে চাইলে কৃষকরা বলেন , আগুন তাপানো আয়োজন টা সাধারণত করে থাকে বাচ্চারাই ।

যদি ও সে আয়োজন উপভোগ করে সবাই। তবে আগুন পোহাতে গিয়ে গাঁয়ের মানুষের দুর্ভোগ ও কমনা। অন্য বছরের তোলনায় এ বছর শীত একটু বেশি বেশি। তাই এমনিভাবে প্রতিদিনই গ্রামের লোক সহ চা শ্রমিকরা আগুন পোহায় । কাজিরগাঁও গ্রামের মোঃ শাহেদ মিয়া বলেন , তিন দিন ধরে সূর্য চোখ দেখা যাচ্ছে না। প্রচন্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষ।

প্রতিদিন বেড়েই চলছে জেলা সদর হাসপাতাল , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিক গুলোতে ঠান্ডা জনিত রোগীদের ভিড়। তীব্র শীতে শিশু – বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, জ্বর, সর্দি – কাশি , শ্বাস কষ্ট সহ ঠান্ডা জনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তীব্র শীতে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে দিন দিন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।