খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে স্বৈরশাসক আর ফিরতে পারবে না: ঘাতকদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে-বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান।

তা‌নিয়া আক্তার, সিরাজ‌দিখা মুন্সীগঞ্জ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে স্বৈরশাসক আর ফিরতে পারবে না: ঘাতকদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে-বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান বলেছেন, ঘাতকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, একাত্তরের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।

তিনি বলেন, সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে এবং যারা আগে ভোট দিতে যেতে পারেননি, তাদেরও এবার ভোট দিতে উৎসাহিত করতে হবে।

মুন্সীগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে শনিবার অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে পৃথিবীর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। সে লক্ষ্যেই এই গণভোটে আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে চাই। কারণ, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে আর কোনো দিন কোনো স্বৈরশাসক ক্ষমতায় আসতে পারবে না এবং একাত্তরের পরাজিত শক্তি আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান বলেন, যদি আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিই, তাহলে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ইনসাফভিত্তিক একটি দেশ গড়ে উঠবে। তিনি বলেন, দেশের পক্ষে ও গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানোই মুক্তিযোদ্ধাদের দায়িত্ব।

সমাবেশে তিনি আরও বলেন, এই গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রে পরিবর্তন আনার যে প্রচেষ্টা ড. ইউনূস আহমেদ গ্রহণ করেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা সেই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেন।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ মহসীন মিয়ার সভাপতিত্বে

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল বাশার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল বরন রায়, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র এডভোকেট মজিবুর রহমান,

গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন কবির।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার আহ্বায়ক মোঃ আবু বক্কর মাদবর, শ্রীনগর উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ শেখ ইউনুছ, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক,

স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব আব্দুল মোতালিব খাঁন (পটু)।

এ সমাবেশে মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক বীর মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ, ঐক্য ও দেশপ্রেমের আবহে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।