খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরে নিরাপদে ৩১ জন নাবিক, সতর্ক অবস্থানে বিএসসি

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরে নিরাপদে ৩১ জন নাবিক, সতর্ক অবস্থানে বিএসসি

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের Jebel Ali Port-এ নোঙর করা নিজেদের জাহাজের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে Bangladesh Shipping Corporation (বিএসসি)।
বিএসসির মালিকানাধীন সাতটি জাহাজের মধ্যে বর্তমানে কেবল একটি জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে রয়েছে। জাহাজটির নাম এমভি বাংলার জয়যাত্রা। এতে কর্মরত ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক সবাই নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে বন্দরে পণ্য খালাস কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। জাহাজটি ২৭ ফেব্রুয়ারি কাতারের মেসাইয়িদ বন্দর থেকে ৩৮ হাজার ৮০০ টন স্টিল কয়েল নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছায়।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক জানান, জাহাজের মাস্টারের সঙ্গে জুম বৈঠক করে বিস্তারিত নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন, বন্দরে অবস্থানকালে কঠোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং নাবিকদের মনোবল অটুট রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সব নাবিক তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন। অন্যান্য জাহাজ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সেনেগাল, রাশিয়া, পাকিস্তান ও লাইবেরিয়ার বিভিন্ন বন্দরে রয়েছে।
সাধারণত বিএসসির দুই থেকে তিনটি জাহাজ নিয়মিত উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থান করে। তবে বর্তমানে কেবল একটি জাহাজ সেখানে থাকায় কিছুটা স্বস্তির কথা জানিয়েছেন সংস্থার কর্মকর্তারা। জাহাজটি বন্দরের জেটিতে অবস্থান করছে, যা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। জরুরি পরিস্থিতিতে নাবিকরা বন্দরের অভ্যন্তরে আশ্রয় নিতে পারবেন।বিএসসি জাহাজে পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানি মজুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে এবং বন্দরের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে পরিস্থিতির আপডেট দিতে বলা হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো দুর্ঘটনায় করণীয় সম্পর্কে নাবিকদের আগেই ব্রিফ করা হয়েছে।
পরিস্থিতি সম্পর্কে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান মালেক। সংস্থাটি জানিয়েছে, নাবিকদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং তারা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
উপসাগরীয় নৌপথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ
উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন শিপিং কোম্পানি উপসাগরীয় নৌপথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। ফ্রান্সভিত্তিক বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কনটেইনার পরিবহন প্রতিষ্ঠান CMA CGM মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রাহকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত এবং ওই অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রারত জাহাজগুলোকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত Suez Canal দিয়ে চলাচল স্থগিত করে কেপ অব গুড হোপ হয়ে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১ মার্চ রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের কাছে আটকে পড়া বিএসসির জাহাজ বাংলার সমৃদ্ধি বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এক বাংলাদেশি নাবিক নিহত হন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।