খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ই-নিলামের উদ্যোগ এনবিআরের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
ই-নিলামের উদ্যোগ এনবিআরের

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কর্ম উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি হ্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস হাউস, ঢাকার অধিক্ষেত্রাধীন এয়ারফ্রেইট ইউনিট এবং এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে রক্ষিত বিভিন্ন পণ্য ‘যেখানে যে অবস্থায় আছে’ ভিত্তিতে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ লক্ষ্যে আগ্রহী নিলাম ক্রেতাদের কাছ থেকে অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এনবিআর জানায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ নং-২৬/২০২৬/কাস্টমস অনুযায়ী, সংরক্ষিত মূল্যের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রথম নিলামেই কোনো লটের বিপরীতে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করা হবে।

আগ্রহী বিডাররা শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে ২ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করে ই-নিলামে অংশ নিতে পারবেন। এ জন্য সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে দেওয়া ই-নিলাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে।

নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি বিডারদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগও রাখা হয়েছে, যাতে তারা পণ্যের অবস্থা যাচাই করে অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারেন।

তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাকে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস গ্রহণ করতে হবে।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, ই-অকশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী বিডারদের তথ্য আগামী ২ জুলাই দুপুর ৩টায় কাস্টমস হাউস, ঢাকার সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হবে।

সংস্থাটি মনে করছে, বিমানবন্দরে জমে থাকা পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে এবং বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।