খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফুলদী নদীতে সেতুর আশ্বাস

আলমগীর হোসেন, গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
ফুলদী নদীতে সেতুর আশ্বাস

গজারিয়ায় আধুনিক গ্রামীণ মার্কেট ভবনের উদ্বোধন করলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাজারে নবনির্মিত আধুনিক গ্রামীণ মার্কেট ভবনের উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি মার্কেট ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ‘দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮০ টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন এই মার্কেট ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “স্থানীয় সংসদ সদস্যের আমন্ত্রণে আজ গজারিয়ায় এসেছি। একটি মার্কেট ভবন ও একটি রাস্তার কাজ উদ্বোধন শেষে রসুলপুর খেয়াঘাট এলাকায় ফুলদী নদীর তীর পরিদর্শন করেছি। ইনশাআল্লাহ, আমাদের সরকার এ নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রধান প্রকৌশলী স্থানটি পরিদর্শন করেছেন।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহবুব আলমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন এবং গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী।

এলজিইডির গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বহুতল এই মার্কেট ভবনের নিচতলায় আধুনিক কাঁচাবাজার এবং দ্বিতীয় তলায় মুদি পণ্যের দোকান থাকবে। উন্নত বিশ্বের বাজার ব্যবস্থাপনার আদলে নির্মিত এ মার্কেটে ক্রেতারা একই ছাদের নিচে কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবেন।

গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পৃথক দোকানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব সোলার প্যানেল, আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

একই দিনে মন্ত্রী উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নে ২০০ মিটার সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি ফুলদী নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় অংশীজনদের মতে, মার্কেটটি চালু হলে এলাকার কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের ছাড়াই সরাসরি নিজেদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতারাও সাশ্রয়ী দামে টাটকা কৃষিপণ্য কিনতে পারবেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই মার্কেট ভবন এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।