খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষক অবমুক্ত

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষক অবমুক্ত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে একটি তক্ষক অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৯ জুন) হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রাম থেকে একটি তক্ষক উদ্ধার করেন। পরে বন বিভাগের হেফাজতে একদিন পরিচর্যা ও পর্যবেক্ষণের পর শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের অন্তর্গত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রাণীটি অবমুক্ত করা হয়।

অবমুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গেই তক্ষকটি দ্রুত গভীর বনের দিকে চলে যায়। এ সময় সাতছড়ি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, সাংবাদিক এবং বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন জানান, তক্ষকের ইংরেজি নাম Gecko এবং বৈজ্ঞানিক নাম Gekko gecko। এটি গেকোনিডি (Gekkonidae) গোত্রের একটি বড় আকারের গিরগিটি প্রজাতি। সাধারণত এদের দেহ ধূসর বা নীলচে বর্ণের হয় এবং শরীরজুড়ে লাল ও সাদাটে ফোঁটা দেখা যায়।

তিনি আরও বলেন, তক্ষক মূলত কীটপতঙ্গ, ছোট টিকটিকি, ছোট পাখি ও ছোট সাপ খেয়ে বেঁচে থাকে। এরা সাধারণত বাড়ির ছাদ, দেয়ালের ফাঁকফোকর কিংবা গাছের গর্তে আশ্রয় নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ শিকার ও বিভিন্ন ভুল ধারণার কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় তক্ষকের সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। অনেকেই ভুলবশত তক্ষককে বিষাক্ত মনে করলেও বাস্তবে এ ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এ প্রাণীর বিস্তৃতি রয়েছে। তবে অবৈধ বাণিজ্য ও লোকজ চিকিৎসার নামে নির্বিচারে নিধনের কারণে প্রজাতিটি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।