খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: চিড়িয়াখানার প্রাণী বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুইটি কমন ইল্যান্ড  একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী এবং দুইটি পুরুষ ওয়াইল্ডিবিস্ট  বাংলাদেশে আনা হয়েছে। ২৩ জুন মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাণীগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা এবং বিনোদনের সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে একটি আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন প্রাণীর সংযোজন সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।নতুন এ প্রাণীগুলোর আগমনে দর্শনার্থীরা যেমন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, তেমনি দেশের প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমও আরও সমৃদ্ধ হবে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে চিড়িয়াখানাকে অধিক আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, পরিচালক (উৎপাদন) ডা. মোঃ মাহফুজার রহমান, প্রকল্প পরিচালক ডা. আব্দুর রহিম, কিউরেটর ডা: মো: হাবিবুর রহমান-সহ চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কমন ইল্যান্ড আফ্রিকার বৃহত্তম প্রজাতির অ্যান্টিলোপগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ওয়াইল্ডিবিস্ট আফ্রিকার তৃণভূমিতে বসবাসকারী অত্যন্ত পরিচিত ও আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী। এসব প্রাণীর সংযোজন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণী সংগ্রহকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ সৃষ্টি করবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।