খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সবাইকে পিছনে ফেলে পারিশ্রমিকে এগিয়ে আলিয়া ভাট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
সবাইকে পিছনে ফেলে পারিশ্রমিকে এগিয়ে আলিয়া ভাট

ঢাকার ডাক বিনোদন: যশরাজ ফিল্মসের বহুল প্রতীক্ষিত স্পাই থ্রিলার ‘আলফা’ এখনও মুক্তি পায়নি, কিন্তু এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ছবিটির তারকাদের পারিশ্রমিক। আলিয়া ভাটের পারিশ্রমিক নতুন করে চমকে দিয়েছে বলিউডকে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘আলফা’তে কেন্দ্রীয় স্পাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আলিয়া ভাট নিয়েছেন ২৫ কোটি রুপি। এই অঙ্কের মাধ্যমে পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনি বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকায় নতুন মাইলফলক গড়েছেন। একই সঙ্গে পারিশ্রমিকের হিসেবে ছাড়িয়ে গেছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফকে।

একসময় বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের মধ্যে ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হলিউডের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েই বেশি ব্যস্ত। অন্যদিকে ক্যাটরিনা কাইফও দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বড় পর্দায় দেখা যাচ্ছেন না।

ক্যাটরিনা প্রতি সিনেমায় প্রায় ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন। আর ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’খ্যাত দীপিকা পাড়ুকোনের পারিশ্রমিক ২০ কোটির কিছু বেশি।

আলফা’য় আলিয়ার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি দেওল। ‘অ্যানিম্যাল’-এর পর ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করা এই অভিনেতা ছবিটির জন্য প্রায় ৬ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছেন বলে জানা গেছে।ছবির আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন শর্বরী ওয়াঘ। যশরাজ ফিল্মসের ব্যানারেই বলিউডে অভিষেক হওয়া এই অভিনেত্রী ‘আলফা’র জন্য প্রায় ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন।

এদিকে যশরাজের স্পাই ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র ‘কবির’ হিসেবে বিশেষ উপস্থিতিতে (ক্যামিও) দেখা যাবে হৃত্বিক রোশনকে। অ্যাকশনধর্মী এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ স্পাই চরিত্রে দেখা যাবে আলিয়া ভাটকে। খবরটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

অনেকেই মনে করছেন, এমন হেভিওয়েট অ্যাকশন চরিত্রে আলিয়াকে দেখা নতুন অভিজ্ঞতা হবে, আবার কেউ কেউ এ নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন। তবে নির্মাতারা ছবিটির সাফল্য নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রায়হান উদ্দিন সরকার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকাভুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে গৌরীপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাচীন ভবন—বর্তমানে গৌরীপুর মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে—সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরি ও এসিক এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক ধান মহালস্থ ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির মিলনায়তনে প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ওপর ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রবিবারের সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর বীরাঙ্গনা সখিনা সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, গৌরীপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও উপজেলা শাখার ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মীর হোসেন মিরন, গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হুদা লিটন, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাবেক সভাপতি মহসিন মাহমুদ শাহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিল, সাংবাদিক মো. দিলীপ কুমার দাস এবং এসিক ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ শাহ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহের উত্তরের জনপদ গৌরীপুর রাজা-জমিদারদের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের বহু প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রয়েছে ১২টি জমিদারবাড়ির ইতিহাস ও স্থাপত্যনিদর্শন, প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহাসিক দীঘি, মন্দির, মধ্যযুগীয় মাজার, দুটি কেল্লা বা ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ এবং ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সমাধি।

 

এ ছাড়া পূর্ব বাংলার গীতিকায় সমৃদ্ধ বীরাঙ্গনা সখিনার ইতিহাস ও সমাধি এবং মুঘল আমলের খাজা উসমান খাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কেল্লার নিদর্শনও গৌরীপুরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা বলেন, এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্ননিদর্শন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে গৌরীপুরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনগুলো জরিপ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, সংরক্ষণ ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

 

স্মারকলিপি প্রদান

সমাবেশ শেষে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পার মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে গৌরীপুরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে তালিকাভুক্তি, সংরক্ষণ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গৌরীপুরের হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।