খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কানাডায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
কানাডায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা খান

ঢাকার ডাক বিনোদন ডেস্ক: কানাডার মাটিতে বাংলাদেশি সিনেমায় জুটি বাঁধছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও চিত্রনায়িকা অধরা খান। দেশের চলচ্চিত্রে পরিচিত এই দুই তারকা বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। জায়েদ খান যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাজ ও প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, আর অধরা খান কানাডায় হলিউডসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার পর এবার কানাডায় একটি বাংলাদেশি সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যাবে তাদের।

নতুন এই জুটি নিয়ে ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। কারণ দেশের চলচ্চিত্রের পরিচিত দুই মুখ এবার দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একই সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন। কানাডার মাটিতে নির্মিত এই বাংলাদেশি সিনেমাটি তাই শুরু থেকেই পাচ্ছে বাড়তি আলোচনার মাত্রা।

জায়েদ খান সাম্প্রতিক সময়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের কাজের পরিধি বাড়িয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাজ ও প্রজেক্টে যুক্ত হচ্ছেন এই অভিনেতা। আমেরিকায় তার কাজের ব্যস্ততা ও নতুন নতুন প্রজেক্টে সম্পৃক্ততা এরই মধ্যে দর্শক-ভক্তদের মধ্যে তৈরি করেছে আগ্রহ। দেশের চলচ্চিত্রে নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পর আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের এই অধ্যায় তার ক্যারিয়ারে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

অন্যদিকে অধরা খানের কানাডা অধ্যায়টিও খুব বেশি পুরোনো নয়। ২০২৫ সালে কানাডায় যাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাজের সঙ্গে। কানাডায় কয়েক মাস অবস্থানের পর কাজের প্রয়োজনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করেছেন এই অভিনেত্রী। এরপর আবারও কানাডায় ফিরে এসে হলিউডের কাজের পাশাপাশি এবার যুক্ত হচ্ছেন বাংলাদেশি সিনেমায়।

কানাডায় যাওয়ার পর স্টেজ শো, বিজ্ঞাপন ও শোবিজের বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রজেক্টেও যুক্ত হয়েছেন অধরা। হলিউডের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি ২০২৬ সালের শুরুতে ‘ফোর্টি এইট আওয়ার্স’ নামের একটি আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার খবরও জানিয়েছিলেন তিনি।

দেশের চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন অধরা। ২০১৮ সালে বাপ্পি চৌধুরীর বিপরীতে ‘নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক তার। এরপর সাইমন সাদিকের সঙ্গে ‘মাতাল’ এবং পরে ‘সুলতানপুর’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

বিশেষ করে ‘নায়ক’, ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ও ‘সুলতানপুর’—এই সিনেমাগুলোতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন অধরা। ‘সুলতানপুর’ পরবর্তীতে হিন্দি ভাষাতেও মুক্তি পায়।

দুই তারকার ক্যারিয়ারের এই আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের মধ্যেই এবার কানাডায় একই সিনেমায় তাদের জুটি বাঁধার খবরটি নতুন চমক হিসেবে সামনে এসেছে। একজন আমেরিকায় আন্তর্জাতিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত, অন্যজন কানাডায় হলিউড ও আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে কাজ করছেন—আর এবার কানাডার মাটিতে বাংলাদেশি সিনেমার পর্দায় একসঙ্গে হাজির হতে যাচ্ছেন জায়েদ খান ও অধরা খান।

এদিকে কানাডায় অবস্থানকালে দেশের চলচ্চিত্রেও অধরার ব্যস্ততা কমেনি। তার অভিনীত ‘দখিন দুয়ার’ ও ‘ঋতুকামিনী’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের অভিজ্ঞতার পর এবার দেশীয় সিনেমার গল্পে একসঙ্গে ফিরছেন জায়েদ খান ও অধরা খান। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে সিনেমাটির অন্যান্য বিষয় নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে জানান তারা। আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চাননি তারা। হলিউড ও আমেরিকার পর কানাডার মাটিতে বাংলাদেশি সিনেমায় এই নতুন জুটির আবির্ভাব দর্শকদের জন্য কতটা চমক নিয়ে আসে এবং পর্দায় তাদের রসায়ন কতটা সাড়া ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।