খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলা শুধু বিনোদন নয়, অনেকের জন্য পেশা – সিসিক প্রশাসক

এমদাদুর রহমান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলা শুধু বিনোদন নয়, অনেকের জন্য পেশা – সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, অনেকের জন্য এটি একটি সফল পেশা ও জীবন গড়ার ক্ষেত্র।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বেসরকারি সাংস্কৃতিক ও সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেট ললিতকলা একাডেমি আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট বরাবরই সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের জনপদ। এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ধর্মীয় চর্চার পাশাপাশি সঙ্গীত, সাহিত্য ও শিল্পকলারও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। যুগে যুগে অসংখ্য গুণীজন, শিল্পী ও সংস্কৃতিসেবী এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

তিনি বলেন, দেশভাগের আগে, মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং স্বাধীনতার পর—প্রতিটি সময়েই সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে এগিয়ে গেছে। সিংহবাড়িতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন এসেছিলেন, তেমনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও এসেছেন। উপমহাদেশের বহু খ্যাতিমান সাহিত্যিক, সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতিসেবী সিলেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই সমৃদ্ধ ঐতিহ্য আজও বহমান।

 

তিনি আরও বলেন, সিলেট ললিতকলা একাডেমি অল্প সময়ে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি পৃথক রাষ্ট্র হলেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের দিক থেকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ -ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব। তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

সিলেট ললিতকলা একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ কবির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির অধ্যক্ষ বিপ্রদাস ভট্টাচার্য।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভারতের সহকারী হাই কমিশনের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম চৌধুরী, জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার চন্দন, সংগীতশিল্পী রানা কুমার সিনহা, সংস্কৃতিকর্মী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটন, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী বাবু, সঞ্জয় নাথ সঞ্জুসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিলেট ললিতকলা একাডেমির শিক্ষার্থী সামিহা সালসাবিল ইকরা। শেখ মাহজাবিন তারানা স্নেহাসহ শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।