খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে সৃজনশীলতার নতুন ঠিকানা ‘স্টুডিও জি’

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে সৃজনশীলতার নতুন ঠিকানা ‘স্টুডিও জি’

চট্টগ্রামে বহুমুখী সৃজনশীল কার্যক্রমের নতুন ঠিকানা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে মাল্টিপারপাস ক্রিয়েটিভ প্ল্যাটফর্ম ‘স্টুডিও জি’। বৃহস্পতিবার নগরীর চেরাগি পাহাড় এলাকার আজাদী ভবনের ৫ম তলায় স্টুডিওটির উদ্বোধন করা হয়। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আজাদীর পরিচালনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। পরে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশন করা হয়। এসময় নৃত্যময় একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সোরাভী নাথের দল নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া সিটিজি কিড্ডি ড্যান্স ক্রুর প্রতিষ্ঠাতা শঙ্কর ডি’কোস্টা ও তার দলের প্রাণবন্ত পরিবেশনাও অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

 

উদ্বোধকের বক্তব্যে ওয়াহিদ মালেক বলেন, চট্টগ্রামে এ ধরনের বড় পরিসরের মাল্টিপারপাস স্টুডিও এই প্রথম, যেখানে একই ছাদের নিচে বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে এ প্ল্যাটফর্মকে ঘিরে আরও বড় পরিসরে সৃজনশীল উদ্যোগ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্টুডিও জি-এর প্রতিষ্ঠাতা শিপন বিশ্বাস বলেন, সৃজনশীল কাজের জন্য উপযুক্ত জায়গার অভাবে অনেক প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। স্টুডিও জি সেই সীমাবদ্ধতা দূর করে শিল্পী, নির্মাতা ও সৃজনশীল মানুষদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
স্টুডিওটির পরিচালক বর্ণী চক্রবর্তী বলেন, চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি আধুনিক সৃজনশীল স্টুডিওর প্রয়োজন ছিল। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সৃজনশীল মানুষ এখন সহজেই তাদের কাজের জন্য একটি মানসম্মত পরিবেশ পাবেন।

 

স্টুডিও জি-তে ইনডোর ফটোশুট, ডান্স প্র্যাকটিস, থিয়েটার প্র্যাকটিস, ড্রইং ক্লাস, মিউজিক্যাল ক্লাস, মডেল র‍্যাম্প ওয়াক প্র্যাকটিস, পডকাস্ট রেকর্ডিংসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ থাকবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন মেকআপ আর্টিস্ট ঈশা ধর মনি, ব্যবসায়ী মিল্টন দাস বিজয়, ফ্যাশন আর্টিস্ট সালেহ রবি জন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর আসিফ আহম্মেদ শোভন, ফাহিম শরিয়ার ও মিথিলা মারমা, নৃত্যরূপ একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রিয়াঙ্কা বড়ুয়া, ফটোগ্রাফার সাজিদুর রহমান, সংগীতশিল্পী বৃষ্টি দে, মিউজিশিয়ান আকাশ দে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।