রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
‘শিক্ষা-গবেষণা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ উদযাপিত হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবের আমেজ। সকাল ৯টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর উপাচার্য ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
দুপুরে সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোঃফরিদুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের কথা তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,উত্তরবঙ্গের এই বিদ্যাপীঠ দেশের উচ্চশিক্ষা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্রান্তিকালে রাবি শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর মো:ফরিদুল ইসলাম বলেন,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নাম। আগামী দিনেও আমরা মানসম্মত শিক্ষা, বিশ্বমানের গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাব।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনেও জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।
দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোকসজ্জা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনারও আয়োজন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন