খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিশ্বের ২ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে নতুন সিনেমা দ্য প্যারাডাইস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বিশ্বের ২ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে নতুন সিনেমা দ্য প্যারাডাইস

ঢাকার ডাক বিনোদন ডেস্ক: গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্বের ২ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত নতুন সিনেমা দ্য প্যারাডাইস। চলতি বছরে বেশ কিছু তেলেগু সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি আয় করা তেলেগু সিনেমার তালিকায় ‘দ্য প্যারাডাইস’ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে যথাক্রমে রয়েছে—পেদ্দি ও দ্য রাজা সাব। ভারতীয় বেশ কিছু চলচ্চিত্র সমালোচক সিনেমাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ইন্ডিয়া টিভির অনিন্দিতা মুখার্জি, সিনেমা এক্সপ্রেসের সুরেশ কাবিরায়ানি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের যশস্বিনী শ্রী, ইন্ডিয়া টুডের জননী কে, সিয়াসাত ডটকমের রাস্তি আমেনা পাঁচে সিনেমাটির রেটিং দিয়েছেন আড়াই। চলুন জেনে নিই, বক্স অফিসে সিনেমাটি কত টাকা আয় করল—

বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে ‘দ্য প্যারাডাইস’ সিনেমা আয় করেছে ৩৫ কোটি রুপি (নিট), দ্বিতীয় দিনে আয় করেছে ১৫ কোটি রুপি (নিট), তৃতীয় দিনে আয় করেছে ২০ কোটি রুপি (নিট)। ভারতে সিনেমাটির মোট নিট আয় ৭৬ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১২০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫৪ কোটি টাকার বেশি)।

স্যাকনিল্ক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ৩ দিনে ভারতে ‘দ্য প্যারাডাইস’ সিনেমার নিট আয় ৭৬.৪০ কোটি রুপি, ভারতে সিনেমাটির গ্রস আয় ৯০.৫০ কোটি রুপি। বিদেশে সিনেমাটির গ্রস আয় ২৯ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১৯.৫০ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

পিরিয়ড অ্যাকশন ড্রামা ঘরানার ‘প্যারাডাইস’ নির্মাণ করেছেন শ্রীকান্ত ওডেলা। ২০৪ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত এ সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন—মোহন বাবু, সোনালি কুলকার্নি, রাঘব জুয়েল, ঈশ্বরী রাও প্রমুখ। সিনেমাটির আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন কীর্তি সুরেশ।

 

গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রায়হান উদ্দিন সরকার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকাভুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে গৌরীপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাচীন ভবন—বর্তমানে গৌরীপুর মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে—সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরি ও এসিক এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক ধান মহালস্থ ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির মিলনায়তনে প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ওপর ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রবিবারের সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর বীরাঙ্গনা সখিনা সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, গৌরীপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও উপজেলা শাখার ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মীর হোসেন মিরন, গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হুদা লিটন, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাবেক সভাপতি মহসিন মাহমুদ শাহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিল, সাংবাদিক মো. দিলীপ কুমার দাস এবং এসিক ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ শাহ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহের উত্তরের জনপদ গৌরীপুর রাজা-জমিদারদের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের বহু প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রয়েছে ১২টি জমিদারবাড়ির ইতিহাস ও স্থাপত্যনিদর্শন, প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহাসিক দীঘি, মন্দির, মধ্যযুগীয় মাজার, দুটি কেল্লা বা ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ এবং ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সমাধি।

 

এ ছাড়া পূর্ব বাংলার গীতিকায় সমৃদ্ধ বীরাঙ্গনা সখিনার ইতিহাস ও সমাধি এবং মুঘল আমলের খাজা উসমান খাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কেল্লার নিদর্শনও গৌরীপুরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা বলেন, এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্ননিদর্শন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে গৌরীপুরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনগুলো জরিপ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, সংরক্ষণ ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

 

স্মারকলিপি প্রদান

সমাবেশ শেষে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পার মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে গৌরীপুরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে তালিকাভুক্তি, সংরক্ষণ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গৌরীপুরের হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।