খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

‘শিক্ষা-গবেষণা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ উদযাপিত হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবের আমেজ। সকাল ৯টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর উপাচার্য ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

 

দুপুরে সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোঃফরিদুল ইসলাম।

 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের কথা তুলে ধরেন।

 

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,উত্তরবঙ্গের এই বিদ্যাপীঠ দেশের উচ্চশিক্ষা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্রান্তিকালে রাবি শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।

 

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর মো:ফরিদুল ইসলাম বলেন,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নাম। আগামী দিনেও আমরা মানসম্মত শিক্ষা, বিশ্বমানের গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাব।

 

বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনেও জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।

দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোকসজ্জা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনারও আয়োজন করা হয়।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।