খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা: স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা: স্পিকার

বিশেষ প্রতিনিধি: মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা জাতির ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই রেজিমেন্টের আত্মত্যাগ ও বীরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে এবং এ ইতিহাসকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেনজাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ।

১১ জুলাই শনিবার রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সৈনিক যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকবেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের ১৮টি জেলার মধ্যে একমাত্র সিলেট জেলা শহর মুক্তিবাহিনী একক প্রচেষ্টায় দখল করেছিল এবং সেই অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি জানান, ১৫ ডিসেম্বর এমসি কলেজ এলাকায় পরিচালিত ওই অভিযানে তিনি দু’টি কোম্পানির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিনকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করেননি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা।মুক্তিযুদ্ধের সময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিটি সৈনিক ও কর্মকর্তা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। পাকিস্তানিদের ‘বাঙালিরা মার্শাল রেস নয়’—এ ধারণা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী জনগণের প্রভু নয়, জনগণের সেবক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় সংকট—সব ক্ষেত্রেই সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একইভাবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান হয়তো এখনো যথাযথভাবে স্বীকৃত হয়নি, তবে একদিন দেশের ইতিহাসে জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো বীর সেনানীদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গৌরবময় অবদান রেখেছে এ কথা কি আপনারা স্বীকার করেন?’ জবাবে উপস্থিত জনতা সম্মিলিতভাবে ‘হ্যাঁ’ বলে সমর্থন জানালে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান। রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আযম খান।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।