খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাতীয় স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায় অনন্য স্বীকৃতি পেল রুয়েট শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ‘চর্চা

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
জাতীয় স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায় অনন্য স্বীকৃতি পেল রুয়েট শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ‘চর্চা

জাতীয় পর্যায়ের ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষা-প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ ‘চর্চা’। সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ এবং এই স্টার্টআপকে এগিয়ে নিতে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে ‘চর্চা’র প্রতিনিধিদের হাতে ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।

 

রুয়েটের শিক্ষার্থী রায়হান উল ইসলাম ও নাফিস রায়হান তাদের দলের সদস্যদের নিয়ে ‘চর্চা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় অনুশীলনের সীমাবদ্ধতা অনুভব করা থেকেই এই উদ্যোগের শুরু। বর্তমানে রাজশাহী থেকেই অর্ধশতাধিক সদস্যের কারিগরি দল এই স্টার্টআপ প্ল্যাটফর্মটিকে এগিয়ে নিতে গবেষণা, উন্নয়ন ও পরিচালনার কাজ করছেন।

 

সহজ কথায়, ‘চর্চা’ হলো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অনুশীলন ও শেখার একটি প্ল্যাটফর্ম। ‘চর্চা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই ও তথ্যভাণ্ডারের ভিত্তিতে তথ্যসূত্রসহ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় অনুশীলনের পরামর্শ প্রদান করে। ‘চর্চা’ বাংলাদেশের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্ব-শিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। প্ল্যাটফর্মটিতে ৩০ লক্ষাধিক প্রশ্ন, সীমাহীন মডেল পরীক্ষা, সরাসরি অনুশীলনী পরীক্ষা, তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতা, ব্যক্তিগত অগ্রগতি বিশ্লেষণ, মেধাতালিকা, ধারাবাহিক অনুশীলন ব্যবস্থাসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর শিক্ষা-সহায়ক সুবিধা রয়েছে।

 

যাত্রা শুরুর পর থেকেই ‘চর্চা’ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বর্তমানে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি। এর মধ্যে মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৫ লক্ষাধিক এবং প্রতি মাসে ২০ লক্ষাধিক মডেল পরীক্ষা সম্পন্ন হচ্ছে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পরীক্ষা-ভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইতিমধ্যেই লাখো শিক্ষার্থীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ‘চর্চা’।

 

এ বছর ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে মাত্র ছয়টি স্টার্টআপ ১০ লাখ টাকার অনুদান লাভ করে। এছাড়া ১৫টি স্টার্টআপ তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শনের জন্য স্টল স্থাপনের সুযোগ পায় এবং মাত্র চারটি স্টার্টআপ জাতীয় মঞ্চে নিজেদের সফলতার গল্প তুলে ধরার সুযোগ লাভ করে। তাদের মধ্যে ‘চর্চা’ই একমাত্র স্টার্টআপ, যা স্টল প্রদর্শন, অনুদান অর্জন এবং সফলতার গল্প উপস্থাপন— এই তিনটি বিভাগেই নির্বাচিত হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।