খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গলাচিপায় চিকিৎসার নামে ‘মৃত্যুফাঁদ’: জসিম মুকুল ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু, ধামাচাপার অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
গলাচিপায় চিকিৎসার নামে ‘মৃত্যুফাঁদ’: জসিম মুকুল ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু, ধামাচাপার অভিযোগ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চিকিৎসার নামে দিনের পর দিন অপচিকিৎসা ও রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ‘জসিম মুকুল হাসপাতাল অ্যান্ড ক্লিনিক’। অনভিজ্ঞ চিকিৎসক আর হাতুড়েদের দিয়ে পরিচালিত এই ক্লিনিকটি স্থানীয়দের কাছে এখন এক মূর্তিমান ‘মৃত্যুফাঁদ’। সর্বশেষ সোমবার বিকেলে চিকিৎসকের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত সুকৌশলে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, আজ বিকেলে ক্লিনিকটিতে একটি অস্ত্রোপচার (অপারেশন) চলাকালে চিকিৎসকের চরম অবহেলায় এক রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। কিন্তু ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় প্রশাসন বা গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি টের পাওয়ার আগেই পুরো ঘটনাটি আড়াল করে ফেলা হয়। মানুষের জীবন নিয়ে এমন ছিনিমিনি খেলার পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাপটে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জসিম মুকুল হাসপাতালে অপচিকিৎসা ও অবহেলায় রোগীর মৃত্যু এবারই প্রথম নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে অনভিজ্ঞ ও নামসর্বস্ব চিকিৎসক দিয়ে জটিল সব রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করানো হচ্ছে। এর আগেও এখানকার ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে একাধিক রোগী গুরুতর ক্ষতি ও স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন।

ক্লিনিকে কোনো রোগীর মৃত্যু হলে বা স্বজনরা চিকিৎসার মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাদের ওপর নেমে আসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের খড়গ। অভিযোগকারীদের দাবি, হাসপাতাল সিন্ডিকেটের পেশিশক্তির ভয়ভীতি দেখিয়ে অথবা অর্থের বিনিময়ে জোরপূর্বক রফাদফার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়।

এতসব গুরুতর অভিযোগ ও দিনের পর দিন মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্যের মহোৎসব চললেও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একটি ক্লিনিক কীভাবে বছরের পর বছর প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এমন অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সাম্প্রতিক রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে জসিম মুকুল হাসপাতাল অ্যান্ড ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা পদক্ষেপের কথা জানা যায়নি।

অবিলম্বে এই ‘কসাইখানা’ খ্যাত জসিম মুকুল হাসপাতাল অ্যান্ড ক্লিনিকের বিরুদ্ধে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের লাগাম এখনই টেনে না ধরলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।