খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে হজের  বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে হজের  বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা

বিশেষ প্রতিনিধি: ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি মাধ্যমে হজ প্যাকেজ-১ ও হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) নামে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২০২৬ সালের চেয়ে বিমান ভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমেছে। হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ধরা হয়েছে ছয় লক্ষ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লক্ষ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা।

২১ জুলাই মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ঘোষণা করেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের হজে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসন, যাতায়াত, ক্যাটারিং, তাঁবু ও সার্ভিস প্যাকেজকে একটি সমন্বিত প্যাকেজের মধ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৬ সালে মিনা-আরাফায় এ, বি, সি ও ডি মোট চারটি সার্ভিস প্যাকেজ ছিলো। কিন্তু ২০২৭ সালের হজে সার্ভিস প্যাকেজ হবে তিনটি। এছাড়া, ২০২৭ সালের হজে হাফ বোর্ড ক্যাটারিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সকল উদ্যোগের কারণে হজযাত্রীদের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার আমলে ২০২৩ সালে বিমান ভাড়া ছিলো প্রায় দুই লক্ষ টাকা। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে বিমান ভাড়া এক লক্ষ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়। ২০২৭ সালের হজে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিমান ভাড়া এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা হজের বিমান ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক মাইলফলক।

পতিত শেখ হাসিনা হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া কিভাবে বাড়ানো যায় সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে আল্লাহর মেহমানদের বিমান ভাড়া কিভাবে কমানো যায় সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এটাই তারেক রহমানের বৈশিষ্ট্য; এটাই দেশের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, মমত্ববোধ ও দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।

হজের খরচ গত হজের চেয়ে কমলো না বাড়লো- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজে খাবার খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিলো না। কিন্তু ২০২৭ সালের হজে ক্যাটারিং বাধ্যতামূলক করা, সার্ভিস প্যাকেজ ‘ডি’ বাতিল করা ও সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় হজ প্যাকেজে বাড়তি খরচ যুক্ত হয়েছে ৬৬ হাজার ৫৭৪ টাকা। ২০২৬ সালের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের সাথে এই টাকা যোগ করে তুলনা করলে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ-২ এ ২৮ হাজার ৬৩ টাকা কমেছে বলে জানান তিনি।

২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীরা যে দেশে অবস্থান করছেন সেদেশেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ করে ভিসার আবেদন করতে পারবে। এর আগের বছরগুলোতে তাদেরকে দেশে এসে এ কাজগুলো করতে হতো। এছাড়া, প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীগণ যাতে অবস্থানরত দেশ হতে সরাসরি সৌদিতে যেতে পারেন সে বিষয়েও চেষ্টা করে যাচ্ছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, হজ প্যাকেজ-১ এর হজযাত্রীদের মক্কায় হারাম শরীফের বহিঃচত্বর হতে ১০০০ থেকে ১৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এরিয়ায় আবাসন সুবিধা দেয়া হবে। মিনায় জোন-২ এ তাঁবুর অবস্থান হবে এবং মিনা-আরাফায়‌ ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ ক্যাটাগরির সার্ভিসসহ মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫-৪০ দিন। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে রুম আপগ্রেডেশন ও শর্ট প্যাকেজ সুবিধা নেয়া যাবে।

অন্যদিকে, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) হজ প্যাকেজ-১ এর চেয়ে কিছুটা সুলভ প্যাকেজ। এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের মক্কায় হোটেল হারাম শরীফের বহিঃচত্বর হতে ২-৩ কিলোমিটারের মধ্যে হবে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী হতে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। মিনায় জোন-৫ এ তাঁবুর অবস্থান হবে এবংমিনা-আরাফায়‌ ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ ক্যাটাগরির সার্ভিসসহ মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবার সরবরাহ করা হবে। হোটেলের অবস্থান দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুসারে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

বেসরকারি তথা হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজযাত্রীদের জন্য ‘বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ’ নামে একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

এ সময় গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব(হজ) ড. আয়াতুল ইসলাম, যুগ্মসচিব ড. মঞ্জুরুল হক, হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার, মহাসচিব ফরিদ আহমদ মজুমদারসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।