খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি: এফপিএমসি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে বিদ্যমান ২৫৬ টি উপজেলাসহ ৩০০টি উপজেলায় পুষ্টিচাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু

৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি (এফপিএমসি)-এর সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, এমপি-এর সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতি-দরিদ্র পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা মূল্যে মাসিক ৩০ কেজি করে ৬ মাসে মোট ৯.৯০ লাখ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হবে। অপুষ্টি নিরসন ও জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারে উক্ত কর্মসূচির আওতায় মোট ৩০০টি উপজেলায় ০৬(ছয়) টি ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ পুষ্টিচাল (Fortified Rice) বিতরণ করা হবে।

গত পাঁচ অর্থবছরে সরকারি খাতে গড়ে ৩২.৩২ লাখ মেট্রিক টন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫.০৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্যশস্যের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিসর বৃদ্ধি পাওয়াতে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুতের পরিমাণ বিদ্যমান ১৩ লাখ মেট্রিক টন থেকে বৃদ্ধি করে স্বাভাবিক সময়ে ১৪ লাখ মেট্রিক টন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে ১৫ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জরুরি পরিস্থিতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সাময়িক বিঘ্নের সময় দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে ০৩টি পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।এছাড়াও ২০৩০ সালের মধ্যে বর্তমান খাদ্যশস্য মজুদ সক্ষমতা ৩০ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করার বিষয়ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে সভায় খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি (এফপিএমসি)-এর সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।