খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নোভোরোসিস্ক নৌঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
নোভোরোসিস্ক নৌঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের নোভোরোসিস্ক নৌঘাঁটিতে একটি বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। এ হামলায় রাশিয়ার অন্তত চারটি যুদ্ধজাহাজ এবং নোভোরোসিস্ক বন্দরে দুটি প্রধান শস্য রফতানি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও হামলায় আট বছরের এক শিশুসহ তিনজন নিহত এবং আরও ২৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘রুশ ঘাঁটিতে আঘাত হানার জন্য কিয়েভ রকেট, যুদ্ধবিমান এবং নৌড্রোন নিয়ে একটি অনন্য অভিযান চালিয়েছে। জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘যতক্ষণ রুশ আগ্রাসন অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ দখলদার নৌবহর এবং তাদের কোনো অবকাঠামো নিরাপদ থাকবে না।

এদিকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হামলায় দুটি ফ্রিগেটসহ রাশিয়ার চারটি যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, নোভোরোসিস্ক রাশিয়ার বৃহত্তম বন্দরগুলোর একটি। দেশটির কৃষ্ণ সাগরীয় নৌবহরের বেশিরভাগ অংশই বর্তমানে এই বন্দরে নোঙর করা রয়েছে। ইউক্রেনীয় হামলার মুখে অরক্ষিত হয়ে পড়ায় রুশ বাহিনী তাদের আগের প্রধান ঘাঁটি- রুশ-দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সেভাস্তোপল ছেড়ে এখানে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিল।

একটি প্রধান শস্য বিপণন কোম্পানি রাশিয়ার তাস বার্তা সংস্থাকে তাদের টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া অন্য একটি কোম্পানি রয়টার্স এবং রুশ সংবাদমাধ্যম আরবিকে একই তথ্য জানিয়েছে। নোভোরোসিস্কের ওপর সারারাত ধরে দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বন্দরের আশেপাশের এলাকায় ড্রোন হামলায় পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং শহরের পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার শহরটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।

আঞ্চলিক গভর্নর ভেনিয়ামিন কনদ্রাতিয়েভ জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে ড্রোনের ভাঙা অংশের আঘাতে একজন নিহত হয়েছেন।ক্রাসনোদার অঞ্চলের বেশ কয়েকটি স্থানেও “কয়েকশ ড্রোন” দিয়ে রাতভর হামলা চালানো হয়েছে এবং বসতবাড়িসহ কয়েক ডজন ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে রুশ কৃষি মন্ত্রণালয় বুধবার ঘোষণা করেছে, তারা পণ্যবাহী জাহাজের রুট পরিবর্তন করে বাল্টিক ও কাস্পিয়ান সাগরের বন্দরগুলোর পাশাপাশি স্থলপথ ব্যবহারের কাজ করছে।ইউক্রেনের হামলার কোনো উল্লেখ না করলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘বর্তমান লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে

 

 

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।