আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ থেকে যুবদল নেতা মনিরের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ মনিরের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি তৎকালীন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়ার ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের নেতা হিসেবে এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের সূচিউড়া গ্রামের বাসিন্দা এই যুবদল নেতা একসময় জজ মিয়ার হয়ে ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের শৈলজুড়া, সূচিউড়া ও অলিপুর এলাকায় প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির কাছে জমি বেচাকেনার মধ্যস্থতা করতেন মনির। এ নিয়ে রাতের আধাঁরে জমির লেনদেন ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বৈঠক হতো বলেও দাবি করেছেন তারা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার পর মনির পরবর্তীতে যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। তবে তার দল পরিবর্তনের পেছনে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক স্বার্থ কাজ করেছে এবং জজ মিয়ার পরামর্শেই তিনি যুবদলে যোগ দিয়েছেন, এমন দাবিও করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও মনিরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে। এমনকি ওই সময়ের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিদের ছাড়িয়ে আনতে তদবিরসহ নানা ধরনের চেষ্টা করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, এখনো আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ও চলাফেরা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিজেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং নির্বাচনী সুবিধা পাওয়ার আশায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এমন অভিযোগও রয়েছে।



আপনার মতামত লিখুন