খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ থেকে যুবদল নেতা মনিরের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ থেকে যুবদল নেতা মনিরের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ মনিরের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি তৎকালীন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়ার ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের নেতা হিসেবে এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের সূচিউড়া গ্রামের বাসিন্দা এই যুবদল নেতা একসময় জজ মিয়ার হয়ে ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের শৈলজুড়া, সূচিউড়া ও অলিপুর এলাকায় প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির কাছে জমি বেচাকেনার মধ্যস্থতা করতেন মনির। এ নিয়ে রাতের আধাঁরে জমির লেনদেন ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বৈঠক হতো বলেও দাবি করেছেন তারা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার পর মনির পরবর্তীতে যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। তবে তার দল পরিবর্তনের পেছনে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক স্বার্থ কাজ করেছে এবং জজ মিয়ার পরামর্শেই তিনি যুবদলে যোগ দিয়েছেন, এমন দাবিও করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও মনিরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে। এমনকি ওই সময়ের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিদের ছাড়িয়ে আনতে তদবিরসহ নানা ধরনের চেষ্টা করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, এখনো আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ও চলাফেরা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিজেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং নির্বাচনী সুবিধা পাওয়ার আশায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এমন অভিযোগও রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।