খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রেশম খাতকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তর করা হবে : বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
রেশম খাতকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তর করা হবে : বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রেশম খাতকে আধুনিক, উৎপাদনশীল ও পরিবেশবান্ধব শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে গবেষণা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময় সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

১৮ আগস্ট মঙ্গলবার রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড ও চীনের ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “Conference on Sericulture Research and Development in the Context of Strategic Cooperation between China and Bangladesh” শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনটি চীন-বাংলাদেশ সিল্ক রিসার্চ সেন্টার (CBSRC)-এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। বিশেষ করে রাজশাহী ঐতিহাসিকভাবে ‘সিল্ক সিটি’ হিসেবে পরিচিত। রেশম খাত গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের আয় বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের লক্ষ্য হলো তুঁত চাষ, রেশম পোকা উৎপাদন, গুটি উৎপাদন, রেশম সুতা তৈরি, বয়ন, পণ্য উন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণসহ রেশমের সম্পূর্ণ মূল্য শৃঙ্খলাকে আধুনিক, উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলা।

এ লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের রেশম গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও শিল্প উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চীনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের রেশম উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে, উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল তুঁত জাত, উন্নত রেশম পোকা জাত, রোগ ও পোকা ব্যবস্থাপনা, আধুনিক রেশম সুতা উৎপাদন, গুণগত মান পরীক্ষা এবং মূল্য সংযোজনমূলক রেশম পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

রেশম খাতে গবেষক, কৃষক, উদ্যোক্তা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন প্রয়োজন, যাতে গবেষণার ফল মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করা যায় এবং বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে রেশম শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। রাজশাহী সিল্ক ইতোমধ্যে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। এর গুণগত মান, পণ্যের বৈচিত্র্য, ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 

ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটির ভাইস ডিন ও অধ্যাপক শু কিউজি বলেন, রেশম শিল্পের উন্নয়নে শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সিল্ক রেশম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। রেশম খাতের টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চীনে রেশম উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, স্মার্ট রিলিং, রেশম পণ্যের মান নির্ধারণ এবং নতুন ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গবেষণা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের মাধ্যমে রেশম খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ, চীন-বাংলাদেশ সিল্ক রিসার্চ সেন্টারের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক নুসরত জাহান নিপা, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়ী ও মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।